Saturday, September 12

একই রোগ নির্ণয়ে তিন ডায়গনষ্টিক সেন্টারে তিন রোগ, রোগী দুরারোগে টেনশানে

0

চট্টগ্রামের বায়েজীদ থানাধীন মান্দারপুর টিলা এলাকায় লিলি আক্তার নামে এক রোগী বিগত দু তিন মাস যাবৎ পেটের ব্যাথায় ভোগছিল। তার জরায়ু থেকেও ব্লাড যেত, ব্যাথার তীব্রতায় এক পর্যায়ে গত ১২/০৫/২০১৮ইং তারিখে এপিক হেলথ কেয়ারে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন নারগিস আক্তার সিদ্দিকী, এম,বি,বি এস, এফ, সি,পি,এসের শরনাপন্ন হন।

তিনি তাকে বিভিন্ন মেডিসিনের পাশাপাশি CBC, RBS, s.TSH, USG of L/A, সহ আরও কয়েকটি পরীক্ষা করতে দিলেন। লিলি আক্তার ও তার পরিবার নগরীর আতুরার ডিপো, তাহেরাবাদ আর/এ গেইট ‘‘দি হেলথ ভিউ ডায়াগনষ্ঠিক সেন্টার” এই টেষ্টগুলো করতে যান। সেখানে ১৪/০৫/১৮ তারিখে ডাঃ ওয়ালিউল্লাহ জামানের দেয়া রিপোর্টের কমেন্ট অনুযায়ী দেখা যায় লিলি আক্তারের ফাইবরয়েড ইউটেরাস যা জরায়ু টিউমার বলে ধারণা দেন।

 ডাঃ নারগিছ আক্তার সিদ্দিকী এই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হয়ে রোগীকে এপিক হেলথ কেয়ার পরীক্ষাগুলো করতে বলেন। সে অনুযায়ী গরিব রোগী লিলি আক্তার টাকা জোগার করে ২২/০৫/২০১৮ ইং তারিখে এপিক হেলথ কেয়ার ডায়গনষ্টিক সেন্টারে যান এবং একই দিনের বিকাল বেলায় তার রিপোর্ট ডেলিভারী নেন। সেই রিপোর্টে ডাঃ নারগিছ সুলতানা এম বি বি এস. এর দেয়া রিপোর্টের কমেন্টে দেখা যায়, সিঙ্গেল ৪ উইক্স, ২ ডেস প্রেগনেন্সি- ইয়েস প্রেজেন্ট দেখতে পান। দেড় মাসের গর্ভ দেখে লিলি আক্তার পড়লেন মহাসমস্যায় ।

ডাক্তার ও প্রেসক্রাইভ করতে পারছেন না। কি ঔষধ দিবেন তিনি। রোগীকি জরায়ু টিউমারের না গভ সক্ষমতার। তাকে আবার নগরীর সেভরনে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার জন্য বলেন। লিলি আক্তার নিরুপায় হয়ে যান। একদিকে তার রোগের যন্ত্রনা, অন্য দিকে তার অর্থ নষ্ট। কি করবে লিলি আক্তার। এক পর্যায়ে লিলি আক্তার অনেক কষ্টে টাকা যোগাড় করে সুস্থ ভাবে বাচার জন্য গত ০৫/০৭/২০১৮ইং তারিখে সেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরটরীতে যান। সেখানে পুনরায় পরীক্ষা করেন। সেই তারিখে দেয়া রিপোর্টে ডাঃ তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক এম বি বি এস, ডি এন এম এর দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায় ইনকমপ্লিট এবরশন ও ফাইবরয়েড ইউটেরাস দেখান। এতে রোগী আরও ঘাবড়ে যান। তিনি রোগ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগতে থাকেন। কি করবেন তিনি। পুনরায় ডাক্তার দেখানো ও ঔষধ খেতেও ভয় পেয়ে যান।
রোগী লিলি আক্তার বলেন, আমার রোগ নির্নয়ের এই অবস্থা দেখে আমি মহাটেনশানে পড়েছি। এখন শারিরীক রোগের পাশাপাশি মানসিক রোগী হয়ে পড়েছি। কোন রোগের ঔষধ খাব আমি। তবু ডাক্তারের শরনাপন্নতো হতে হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.