এশিয়া কাপে ইনজুরি আর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণেই হুট করেই দলে সুযোগ মিলেছিল। প্রায় এক বছর পর দলে ফিরেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে খেলেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস। বাংলাদেশ দলের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম-সাকিব না থাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন হয়েছেন সফলও। পাশাপাশি ধারাবাহিক রান পাবার কারণও জানতে চাওয়া হয় তার কাছে।
সোজাসাপটা জবাবে তিনি বলেন, ভাই, আমাকে খেলতে দেন। আমি অত কিছু জানি না। এত বড় খেলোয়াড় হইনি এখনও। তিনটা ম্যাচ ভালো খেলেছি, চেষ্টা করব বাকি ম্যাচগুলো ভালো খেলার।
দুই সেঞ্চুরি ও এক হাফসেঞ্চুরিসহ ইমরুলের মোট রান ১৪৪+৯০+১১৫= ৩৪৯ রান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে টাইগারদের হয়ে সবচেয় বেশি রানের মালিক এখন এই বাম-হাতি ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের জার্সিতে এই রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবালের দখলে। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচে ৩১২ রান করেছিলেন তামিম। তবে আর মাত্র ১২ রান করলে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান বাবর আজমের করা ৩৬০ রান ছাড়িয়ে যেতে পারতেন। যেটি তিন ম্যাচের সিরিজে করা সর্বোচ্চ রান। তবে এত সব সমীকরণের মারপ্যাঁচে পড়তে চাননা ইমরুল। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমটাই জানিয়েছেন।
ইমরুল বলেন, এটা মাথায় ছিল না। আমি জানতামও না। আসলে খেলার সময় কোনো রেকর্ড হচ্ছে কি হচ্ছে এটা মাথায় থাকে না। জাস্ট ফোকাস করি বল টু বল।
দ্বিতীয় উইকেটে সৌম্য সরকারের সঙ্গে রেকর্ড ২২০ রানের জুটি গড়েন। প্রথম দুই ম্যাচে না থাকলেও শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়েই তুলে নেন সেঞ্চুরি। সৌম্যর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইমরুল
তিনি বলেন, সৌম্য ঘরোয়া পর্যায়ে থেকে ভালো করছে। সে আত্মবিশ্বাসী রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, তার মতো খেলোয়াড় যেদিন খেলবে আসলে ‘ওয়ান ম্যান শো’ হয়ে যাবে। তার এই সামর্থ্য আছে। আমি আশা করছি তার এই ফিরে আসা সে ধরে রাখবে। আর তা হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের জন্য লাভ হবে।