মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি :কৃষি প্রনোদনা ককর্মসূচি ২০১৯-২০ এর আওতায় রবি মৌসুমে আধুনিক জাতের ভূট্রা, সরিষা ও শীত কালিন মূগ এবং পরবর্তী খরিপ -১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালিন তিল ও মূগ আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে নির্বাচিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিনা মুল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার সরবরাহও প্রনোদনা কর্মসূচি কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর।
এ উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলার প্রশাসনিক ভবনে, শার্শা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, উপরোক্ত প্রনোদনার আলোকে অত্র উপজেলার ক্ষূদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ।
উক্ত মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১, শার্শা আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু,র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মোরশেদ আলম। ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান্যান আলেয়া ফেরদৌস, লক্ষনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম,শার্শা থানার ওসি (তদন্ত) ফরিদ উদ্দিন।
পবিত্র কোরআন তেলওয়াত এবং গীতা পাটের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান আয়োজক কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল,এবারে শার্শা উপজেলায় সর্বমোট ১৮০০( এক হাজার আট শত) কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদেরকে চিহ্নিত করে একটি ফসলের জন্য প্রনোদনা দেবেন। প্রতিজন কৃষক ১ বিঘা ফসল চাষের জন্য উপকরন হিসাবে বীজ ও সার পাবেন। এছাড়া প্রতি ৫ জনের গ্রুপ করে গ্রুপ প্রতি (২)বস্তা ডি এ পিও ১ বস্তা এম ও পি সার বিতরণ করা হবে। রবি মৌসুমে ভূট্রা চাষের জন্য ৬৮৫ জন, সরিষা চাষের জন্য৬৭৫ জন, শীত কালিন মুগ ১৬০ জনের মধ্যে এবং খরিক ১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালিন তিল ১৪৫ জনের মধ্যে গ্রীষ্মকালিন ১৩৫ জনের মধ্যে, সর্বমোট ১৮০০ জনের মধ্যে এ সুযোগ প্রদান করা হবে।
প্রধান অতিথি শেখ আফিল উদ্দিন এমপি অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু র সপ্ন ছিলো এ দেশ কৃষি বান্ধব দেশ গড়ার আজ তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধান মন্রী শেখ হাসিনার সেই সপ্ন বাস্তবায়নে কৃষির উপর জোর দিয়েছেন। প্রধান মন্রীর পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা কাজ করতে পারলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে দেশের প্রতি ইন্চি জমি আমাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। ধানের পাশাপাশি ভুট্রার চাষে গুরুত্ব দিতে হবে। শাকসবজি এবং ফলাদির গাছ লাগাতে হবে । আর এ কাজটি করতে পারলে নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশের বুকে ও রপ্তানি করা সম্ভব হব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।