রাজধানীর শাহবাগ থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খাঁনকে। আজ রোববার দুপুর ১ টার দিকে তাঁকে মিরপুর-১৪ নম্বরের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রোববার সকালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক আল-নাহিয়ান খান জয় বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলাটি করেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহাবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান। তিনি বলেন, থানায় রাশেদ খাঁনের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা রয়েছে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মামলার বাদী আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, কয়েকদিন আগে রাশেদ ফেসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করেন। এছাড়া ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আসছিল। এ ঘটনায় আমি আজ রোববার শাহবাগ থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করি।
এর আগে, রাশেদ খান নিজে তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে লাইভে এসে তাকে তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন। পরিষদের আহবায়ক হাসান আল মামুনও রাশেদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেন।
রোববার দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে তার মিরপুরের বাসা থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়।
কোটা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক হাসান জানান, মিরপুর-১৪ এর মজুমদার মোড়ের ১২ নম্বর বাসা থেকে তাকে তুলে নেয়া হয়। রাশেদকে তুলে নিয়ে গেছে ডিবি। আমরা ডিবির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর শনিবার হামলা চালায় ছাত্রলীগ। সেসময় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া নূরুল হকসহ অন্তত ছয়জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
হামলার প্রতিবাদে আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় কলেজে মানববন্ধন এবং সোমবার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়।