পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বললেন বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি বাংলাদেশি নিহতের সংখ্যা ৪ থেকে বেড়ে ৮ হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি আমাদের মিশন এখনও নিশ্চিত করেনি। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক’ এক সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুখবর হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের সদস্যা ভালোমতো দেশে ফিরে এসেছেন। আর খারাপ খবর হচ্ছে মৃত্যের সংখ্যা বাড়তে পারে। এরপর তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৪ থেকে বেড়ে ৮ জন হতে পারে। তবে ঠিক কতজন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন, সেটা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনার পর হাইকমিশনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের কোনও ঘাটতি নেই। ক্রাইস্টচার্চ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কালচার অব পিস বা ‘শান্তির জন্য সংস্কৃতি’- শীর্ষক কর্মসূচি আমরা বাস্তবায়ন করবো।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মিশন এরইমধ্যে সেখানে কাজ শুরু করেছে। কোনও নিহতের পরিবার যদি তাদের স্বজনদের মরদেহ দেশে আনতে চায়, তাহলে তাদের খরচ সরকার বহন করবে। এ জন্য সরকার কাজ শুরু করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার দিনে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে মুসল্লিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালান ব্রেন্টন ট্যারেন্ট নামে এক অস্ট্রেলীয়। এতে এ পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। হামলায় আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত মানুষ।
এ সন্ত্রাসী হামলায় এখনও পর্যন্ত ৪ বাংলাদেশির নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হচ্ছেন- স্থানীয় লিঙ্কন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবদুস সামাদ, সিলেটের ফরিদ আহমেদের স্ত্রী হোসনে আরা আহমেদ, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ থানার মোজাম্মেল হক এবং নারয়ণগঞ্জের ওমর ফারুক।