মিলন খান, খোকসাঃ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা শোমসপুর ইউনিয়নের পদ্মবিলা ও বি- মির্জাপুরে একই গ্রামে আব্দুল সরদারের স্ত্রী (৫০) আব্দুস সামাদের স্ত্রী( ৬০) করোমালিরের স্কুল পরুয়া ছাত্রী তুলি (১৪) সাবিনা খাতুন (৪১) পদ্মবিলা গ্রামে শহীদুল্লাহর ছেলে ইমন(১৪) কে গতকাল বিকেল ৪ টার দিকে বিভিন্ন কৌশলে পাঁচজনকে কামড়িয়ে গুরুতর আহত করেছে এক ক্ষিপ্ত শিয়াল।
পরে তাদেরকে উদ্ধার করে খোকসা হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে আনা হয়। এ সংবাদের ভিত্তিতে খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফ্ফারা তাসনীন হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখান ও একদিনের চিকিৎসার ভ্যাকসিন ব্যবস্থা করে দেন বলে জানা গেছে।
এ দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় তাদের হাত এবং পায়ে একাধিক কামড়। মাংস তুলে নেওয়ার মতো অবস্থা করেছে। এখন সেখান থেকে অনাবরত রক্ত ঝরছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্তব্যরত ডাক্তার নিলুফা আক্তার বলেন। ৫ জনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা খুবই ভয়াবহ আমরা তাদের ৩ জন কে হাসপাতালে ভর্তি ও দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি আরো বলেন আমাদের হাসপাতাল এই ধরনের ভ্যাকসিন নেই। তবে সব ধরনের ভ্যাকসিন খোকসা সরকারী হাসপাতাল হিসেবে থাকা দরকার বলে মনে করেন।
উল্লেখ থাকে যে স্থানীয় জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে শিয়াল টাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানাগেছে