খোকসা প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মাঠপাড়া গ্রামে হতদরিদ্র পরিবারে গড়ে ওঠা। খোকসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ুয়া ছাত্রী পাপিয়া খাতুন (২২) দিবাগত রাতে আনুমানিক রাত সাড়ে ১১ টার দিকে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে নিজ ঘরের ডাবের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। পাশে ঘুমিয়ে থাকা ছোট বোন ঘুম থেকে উঠে দেখে বড় বোন ডাবের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায়। তারপর চিৎকার দিলে এলাকাবাসী মিলে শুক্রবার সকাল আটটার দিকে ঝুলন্ত লাশ নামায়।
এ ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মাঠপাড়া গ্রামে মোহাম্মদ ওমর আলীর দরিদ্র পরিবারে গড়ে ওঠা তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে পাপিয়া খাতুন (২২) একই ইয়ারে পড়ুয়া শামীমের সঙ্গে ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়ে গত সোমবারে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয় বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় বাবা মা অনেক কষ্ট করে ৩ মেয়েকেই লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করার চেষ্টা চালিয়েছে। বড় মেয়ে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়াশোনা করত অবস্থায়। পাশের গ্রাম পাইকপাড়া মির্জাপুর, আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোঃ শামীম রেজা (২২) এর সঙ্গে গত চারদিন আগে বিবাহ হয়।
কিন্তু মেহেদীর রং শুকাতে না শুকাতেই এক রহস্যজনক মৃত্যু। কেউ বলছে বাবা গরীব আর বিবাহ হয়েছে ধনী পরিবারে তাই শ্বশুর-শাশুড়ির মনের চাহিদা মিটাতে পারিনি অভাগিনী পাপিয়া।
আবার কেহ বলছে তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তারিয়ে দেওয়া ও স্বামীর অমানুষিক অত্যাচারের উপর ভিত্তি করে আত্মহত্যা করেছে বলে গ্রামবাসীর ক্ষোভ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় পুলিশ এ মৃত্যুর তথ্য উদঘাটন করতে মৃত পাপিয়ার শ্বশুর বাড়িতে খবর পাঠায়, শামীম ও তার বাবাকে ফোন দিলে তারা আসি আসি করে আর আসে না। পরে ফোন বন্ধ করে দেয় বলে জানা গেছে। সে সময় তদন্ত পুলিশ অফিসার স্থানীয় সাংবাদিক দের বলেন এ রহস্যজনক মৃত্যুর ময়না তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে বলে জানান।
এদিকে খোকসা থানা অফিসার ইনচার্জ এবিএম মেহেদী মাসুদের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ মৃত্যুর মধ্যে অনেক রহস্য খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে তবে পোস্টমর্টেম এর রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা এর আইন আনুক ভূমিকা নেব আপাতত অপমৃত্যু বলে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।