মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি : টাঙ্গাইল থেকে আসা পারমিট বিহীন ট্রাকভতি চোরাই কাঠ গাজীপুরের জিরানী এলাকা থেকে কাঠ আটক করা হলেও সমঝোতায় ট্রাক ড্রাইভার ও চোরাকারবারীদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বনকর্মীদের বিরুদ্ধে।
২৬ নভেম্বর রবিবার রাতে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ নিশাদের নেতৃতে টাঙ্গাইল থেকে তাড়া করে গাজীপুর মহানগরের জিরানী এলাকায় ট্রাকভর্তি কাঠগুলি আটক করা হয়। পরে ট্রাকভর্তি কাঠগুলি কালিয়াকৈরের খাড়াজোড়া ফরেস্ট চেক পোষ্টে হস্তান্তর করা হয়।
একাধিক সুত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল থেকে বদলী হয়ে রবিবার সন্ধ্যায় কালিয়াকৈরের খাড়াজোড়া ফরেস্ট চেক পোষ্টে যোগদান করেন ফরেষ্ট রেঞ্জার মোমিন খান। টাঙ্গাইল জেলার চোরাই কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে পূর্বের সম্পর্কের সুত্র ধরে যোগদানের কয়েক ঘন্টার মধ্যে ট্রাকভর্তি কাঠ (ঢাকা মেট্রো ট-১৪-২১০৪) ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় কালিয়াকৈর খাড়াজোড়া ফরেস্ট চেক পোষ্ট থেকে ছেড়ে দেন সদ্য যোগদানকারী ফরেষ্ট রেঞ্জার মোমিন খান। টাঙ্গাইল থেকে তাড়া করে জিরানী এলাকা থেকে ট্রাকের চালক ও সহযোগী এবং চোরাকারবারি সহ কাঠভর্তি ট্রাক আটকের পর কালিয়াকৈর বন বিভাগের কাছে হস্তান্ত করে।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ নিশাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিওিতে কাঠভর্তি দু’টি ট্রাক ধাওয়া করে গাজীপুর এলাকার বন কর্মকর্তাদের সহায়তায় আটক করি। পরে কাগজ পত্র যাচাই করে একটি ট্রাক ছেড়ে দেয়া হয়। অন্য একটি ট্রাক কালিয়াকৈরে খাড়াজোড়া ফরেস্ট চেকপোষ্টের কাছে হস্তান্ত করা হয়েছে।
কালিয়াকৈরে সদ্য যোগদানকারী ফরেষ্ট রেঞ্জার মোমিন খান জানান, কাঠভর্তি একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে। তিনি দাবী করেন ট্রাক ফেলে ট্রাকের চালক ও চোরাকারবারিরা পালিয়ে গেছে। ট্রাকে ১৭০ পিস আকাশি কাঠ রয়েছে। আনুমানিক মূল্য হবে একলক্ষ্য টাকা। মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।