আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি এগোচ্ছে বলেছেন,আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের । সবকিছু ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন লিফলেট বিতরণ করছে। এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আরো ভয়ংকর কোনো হামলার। গুপ্তহত্যার পথে তারা যাচ্ছে আমরা সেই খবর পাচ্ছি। সবাই সতর্ক থাকবেন।
আজ শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭ জানুয়ারি ভোটার উপস্থিতি নিয়ে প্রয়োজনে লাশ বানিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আসা থেকে বিরত রাখতে। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীসহ সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। লন্ডন থেকে বার্তা দেয়া হয়েছে। হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত আছে নির্বাচনকে ঘিরে।
তিনি বলেন, ‘গত ডিসেম্বর থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করেছিল তারা, স্বাভাবিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন নাশকতার দিকে গেছে। এখনো আমরা খবর পাচ্ছি, লন্ডন থেকে বার্তা দেয়া হয়েছে যে, গুপ্ত হত্যার দিকে তারা যাবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে হয়তো দেখা যাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা বা প্রার্থীকে লাশ বানানোর চক্রান্ত তাদের আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন ভোট বর্জন করে নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। হরতাল-অবরোধসহ অসহযোগ চালিয়ে যাচ্ছে দলটি। আর এসব কর্মসূচির মধ্যে গত দুইমাসে বাস, ট্রেনসহ প্রায় ৩০০ যানবাহনে আগুন দেয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন জায়গায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানিও ঘটছে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে আমরা ব্যর্থ হতে দেবো না। নির্বাচন হবে ইনশাআল্লাহ। শেখ হাসিনার জনসভাগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হচ্ছে সেটা দেখেও তারা টের পাচ্ছে না। মানুষ কত উৎসবমুখর, মানুষ কত সতস্ফূর্তভাবে এ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
বরিশালের জনসভাস্থলে প্রবেশের সময় দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ওই ব্যক্তি জনসভায় মারা যায়নি। হাসপাতালে মারা গেছে, হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে, ডাক্তার তাই বলেছে। কি নানক? (তখন জাহাঙ্গীর কবির নানক পাশের চেয়ারে বসে ছিলেন) ঠিক আছে?
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনী সংঘর্ষ দেশে দেশেই হয়, আমাদের প্রতিবেশী দেশে আরো বেশি লোকের মৃত্যু হয়। তাই বলে সত্যকে আমরা অস্বীকার করব কেন? এটা আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। আর কয়টা নিহত হয়েছে, বলেন? নিহত হওয়ার আর কোনো ঘটনা আছে কি? সে তো সংঘর্ষে নিহত হয়নি। একটা লোকের হার্ট অ্যাটাক হতে পার, স্ট্রোক হতে পারে অথবা উত্তেজনা থেকেও হতে পারে। সে মারা গেছে কিন্তু হাসপাতালে। তার গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।