আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নগরীর আউটার স্টেডিয়ামে মাসব্যাপী মুক্তিযুুদ্ধের বিজয় মেলার দেশীয় শিল্প পণ্য, চারু ও কারু পণ্য মাস বিপনন মেলা শুরু হবে।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা চট্টলবীর মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সন্তান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী এম.পিকে পুনরায় পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করা হয়।
গতকাল বিকেলে বিজয় মেলা পরিষদের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত পরিষদের সাধারণ সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। একই সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছকে মহাসচিব করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ ২০১৯ গঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুর এর সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সাধারণ সভায় বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা আয়োজনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
১০ ডিসেম্বর এম.আজিজ স্টেডিয়াম চত্বরে বিজয়শিখা প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে সিজিকেএস জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চের সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম শুরু হবে। এ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে প্রতিদিন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা এবং প্রণোদনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা।
এছাড়া বিজয় মঞ্চে আগামী ১৫ ডিসেম্বর চট্টলবীর মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালনোপলক্ষে স্মরণসভা এবং ১৬ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বণার্ঢ্য বিজয় র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের এ কার্যক্রমকে সফল করে তোলার জন্য চট্টগ্রামবাসী এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক শক্তির প্রতি আহŸান জানানো হয় এবং বলা হয় যে, মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনের সৈনিক এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন মিশন বাস্তবায়নে বিশ্বাসী প্রতিটি নাগরিকই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার সহায়ক শক্তি।
সভায় আউটার স্টেডিয়াম ও জিমনেশিয়াম চত্বর ব্যবহারের জন্য অনুমতি প্রদান করায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও সিজিকেএস এর সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন ও চট্টগ্রাম সেনানিবাস কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের কো- চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী, আইনজীবী ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব বদিউল আলম, বাবুল অমল মিত্র, মহিউদ্দিন রাশেদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক অর্থ সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক দেবাশীষ গুহ বুলবুল, খলিলউল্লাহ সরকার, মহিউদ্দিন আহমদ, পান্টু লাল সাহা, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, আবদুল আহাদ, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, খলিলউল্লাহ সর্দার, পিনাকী দাশ, শহীদুল আলম, মাহফুজুর রহমান খান, কমান্ডার মহসিন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: সালাউদ্দিন, এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, দেওয়ান মাকসুদ আহমদ, দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, শ্রমিক লীগ নেতা আবুল হোসেন আবু, যুবলীগ নেতা ওয়াসিম উদ্দিন, ছাত্রলীগ নেতা আজিজুর রহমান আজিজ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের হোসেন সরওয়ার্দী, আশরাফুল হক, জয় উদ্দিন জয় এবং প্রমুখ।