
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের ২নং গেইট মেয়র গল্লির মুখে মুল রাস্তার উপর থেকে বি এস আর এমের লগো লাগানো ড্রাম ট্রাকে স্ক্রাব পরিবহন কালে দুপুর ২টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্ক্রাবের ডাস্ট চুরি করে । যে ড্রামট্রাকের রেজিষ্ট্রেশন সিরিয়াল নং চট্টমেট্রো-উ ১১-০৭১৯।
জানা যায়, প্রতিদিন কর্নেল হাট মোড়, একেখান মোড়, জিইসির ক্রস, ২নং গেইট, এবং হাসমিকেল এলাকায় দিয়ে বি এস আর এমের স্ক্রাব গাড়ি অতিক্রম করার সময় একটি সংঘবদ্ধ চক্র ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি স্ক্রাব চরি করে। যার মূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকার মতো।
স্পটে এই চুরির ব্যাপারে ড্রাইভারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই চুরি প্রতিদিনই হয়। আমরা দেখি কিন্তু কিছুই করার নাই। এই গাড়ির সুপারভাইজার রায়হান। আপনারা তার সাথে কথা বলুন।
সুপারভাইজার রায়হানকে মুঠোফোনে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এই সব চুরির ব্যাপারে আমরা কিছুই জানিনা।একটি সংঘবদ্ধ চক্র ড্রাইভারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিদিনই চুরি করছে। কর্নেল হাট, একেখান, জিইসের মোড়, ২নং গেইট, হাসমিকেল এলাকায় প্রতি নিয়ত চোররা ওত পেতে থাকে। যখন গাড়ি যানজটে পড়ে তখন এই চুরি গুলো করে। আমাদের পরিবহন কতৃপক্ষ বি এস আর এম কর্তপক্ষকে গাড়ির সাথে সিকিউরিটি দিতে বলেছি। আগে সিকিউরিটি ছিল কিন্ত বর্তমানে তাদের সিকিউরিটি নেই।কেন তারা সিকিউরিটি দেননা তা বলতে পারছিনা।সিকিউরিটি থাকলে এমন চুরি হতনা। আর এই চোরদের চক্রের সাথে ড্রাইভাররা পারেন না। কারন তারা ট্রাকের লুকিং গ্লাসে ব্লেড বা পাথর মেরে দেয়।তাই ড্রাইভাররা ভযে কিছু বলতে পারেন না।আমরা বিষয়গুলো জানি কিন্তু প্রতিরোধ করতে পারছিনা।
এ বিষয়ে দিদারুল আলম এন্ড ব্রাদার্সের লজিষ্টিক ম্যানেজার কামাল হোসেন বলেন, এইসব চুরির ব্যাপারে আমরা জেনেছি। অনেকবার অভিযান করেছি, কিন্তু এই চোর চক্রটাকে ধরতে পারছিনা। এরা একটা গ্যাং। প্রশাসনের সাহায্য নিয়েও এদের ধরা যাচ্ছেনা।
বি এস আর এমের জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জয় মুঠোফোনে বলেন, এই চক্রটা কোম্পানির অনেক ক্ষতি করছে। কিন্তু তাদের কোন ভাবেই ধরা যাচ্ছেনা।আমরা কয়েকবার এই চোর চক্রটিকে ধরার জন্য অভিযান করেছি।
মাল পরিবহনের গাড়িতে বি, এস আর এমের সিকিউরিটি নেই কেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আগে ছিল, কিন্তু তারা এই সব চক্রের কাছে নিরাপত্তা হীনতায় ভোগেন বলে এখন ট্রাকে কোন সিকিউরিটি দেয়া হয়না।