চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় গৃহবধূকে গুলি করে হত্যার প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাকলিয়ার বলির হাটের দক্ষিন পশ্চিম এলাকার নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিনসহ ৪ পুলিশ আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩জনের আঘাত গুরুত্বর বলে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, নিহত শাহ আলম বাকলিয়া থানার বলিরহাট এলাকায় গৃহবধূ বুবলি আক্তার (৩৫) হত্যার প্রধান আসামি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাকলিয়া থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য। এ ছাড়া বুবলি হত্যার ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- নিহত শাহ আলমের ভাই নুরুল আলম ও সহযোগী মো. নবী।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, বুবলি আক্তার হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত শাহ আলম বজ্রঘোনার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন খবরে পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহ আলম ও তার সহযোগীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
এতে বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিনসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে শাহ আলমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি দিয়ে বুবলি আক্তারকে গুলি করা হয় বলে জানিয়েছেন ওসি।
উল্লেখ্য এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সন্ত্রাসীরা বলিরহাট এলাকায় ঘরে ঢুকে বুবলী আক্তার নামে এক নারীকে গুলি করে হত্যা করে।
জানা যায়, বুবলি আক্তারের ভাই রুবেলের সঙ্গে স্থানীয় শাহ আলমসহ কয়েকজন যুবকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ছিল। শনিবার রাতে নগরীর বলিরহাট এলাকায় শাহ আলম ও তার লোকজন রুবেলকে মারতে আসে। তখন তারা রুবেলকে না পেয়ে বুবলিকে গুলি করে হত্যা করে।