Saturday, September 12

ইউনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিলগালা
চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

0

চট্টগ্রামে অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলীর নেতৃত্বে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে জামালখান এলাকার চিটাগং বেলভিউ লিমিটেডে, ইউনিক ডায়গনস্টিক সেন্টার, অ্যাপেলো‍ ইনফরমেশন সেন্টার ও সেনসিভ প্রাইভেট লিমিটেডে এ অভিযান চালানো হয়।

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার জামালখান সড়কে চিটাগং বেলভিউ লিমিটেডে, ইউনিক ডায়গনস্টিক সেন্টার, অ্যাপেলো‍ ইনফরমেশন সেন্টার ও সেনসিভ প্রাইভেট লিমিটেডে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) সকালে চেরাগী পাহাড় মোড়ের বেলভিউ লিমিটেডে প্রথম অভিযান পরিচালনা করেন জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী। এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাইফুল্লাহিল আজম, সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকীসহ ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে বিদেশী হাসপাতালে রোগী পাঠানোর নিবন্ধন সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে “ইউনিক মার্কেটিং” নামে একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়। এছাড়া বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে বিদেশী যে সমস্ত চিকিৎসক রয়েছে বিএমডিসি থেকে তাদের অনুমোদন রয়েছ কিনা সেটি খতিয়ে দেখছে ভ্রাম্যমান আদালত। গ্রাহক সেবার মান নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।

অভিযান শেষে সৈয়দ মোরাদ আলী বলেন, অভিযান পরিচালনার সময় ইউনিক ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিক পালিয়ে যান। এমনকি তার মুঠোফোনে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট ওই প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলেন।
সরওয়ার সৈয়দ মোরাদ আলী বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান চালানো হচ্ছে। আপাততে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মালিক এসে কাগজপত্র দেখাতে পারলে খুলে দেওয়া হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পাশের সেনসিভ প্রাইভেট লিমিটেডেও অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ কয়েকটি অনুমোদন থাকলেও বিএমডিসির অনুমোদন দেখাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। তারা দাবি করেন মালিকের কাছেই বিএমডিসির অনুমোদনের কপি রয়েছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট মোরাদ আলী তাদের বিএমডিসির অনুমোদন দেখানোর জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় দেন।

মোরাদ আলী বলেন, সর্বশেষ তাদের প্রতিষ্ঠানে বিদেশ থেকে ডা. অরুনোভা রয়, ডা. নেহা চৌধুরী ও ডা. আভি কুমার রয় আসেন। কিন্তু তাদের অনুমোদন ছিল কীনা সেটি দেখাতে পারেননি। তাই ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে তাদের।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.