
দুটি মেগা প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করতে আজ রবিবার চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রথম কর্ণফুলী টানেলের খনন কাজের উদ্বোধন এবং নগরীর লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্প উদ্বোধন করতে তার এই সফর।
কিছু সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী টিবিএম মেশিন দিয়ে কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এরপরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলার পাইলিং প্রকল্প উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নয় হাজার আটশত আশি কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার নয়শত সাতষট্টি কোটি একুশ লক্ষ টাকা এবং চীন সরকারের অর্থ সহায়তা পাঁচ হাজার নয়শত তের কোটি ঊনিশ লক্ষ টাকা।
দু’টি টিউব সম্বলিত মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজ।
মহানগরীর এবং মডেল শহর দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তির উদ্দেশ্যে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাসহ যাতায়াতের সময় অনেকাংশে কমে যাবে।