৬ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে। একই সঙ্গে ছাত্র ধর্মঘটের শুরুতেই আটকে দেয়া হয়েছে শাটল ট্রেন।
আজ রোববার সকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয় এবং শাটল ট্রেনের লোকোমাস্টারকে তুলে নিয়ে যায়। ট্রেনের হোস পাইপও কাটা হয়। ফলে শাটল ট্রেনটি স্টেশন ছাড়তে পারেনি। পরের দুইটি শাটল ট্রেনও আর ছাড়েনি চট্টগ্রাম শহর থেকে। ফলে শাটল ট্রেনে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শাটল ট্রেনের একজন লোকো মাস্টারকে তুলে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনেছি। তাকে উদ্ধারে আমরা চেষ্টা করছি। হোস পাইপ কেটে দেয়ার বিষয়টি মৌখিকভাবে জেনেছি।
তিনি আরও বলেন, স্টেশনে ঢোকার আগে রেলওয়ে নিরপত্তা বাহিনীর আওতাধীন থাকে ট্রেনটি। তারা আমাদেরকে অবহিত করলে আমরা নিরাপত্তা দিয়ে স্টেশনে আসতে সহযোগিতা করতাম।
সম্প্রতি অস্ত্র মামলায় কারাগারে থাকা ছয় ছাত্রলীগ কর্মীর মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার, ২০১৫ সাল থেকে সকল রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার, হাটহাজারী থানার ওসির প্রত্যাহার ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।
এ বিষয়ে চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, চার দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি আমরা। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।