বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ লোকমান হোসেন বলেছেন ১৯৭১ সালে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেতে পেরেছি বলে গর্বিত। মুক্তিযোদ্ধারা যেমন পাক সেনাদের কাছে নতি স্বীকার করেনি, তেমনি আগামী প্রজন্মের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা কোন অন্যায়ের কাছে নতি স্বীকার করবে করবে না। আগামী মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে বর্তমান সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সারাদেশের রেলওয়ে শ্রমিক লীগ, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল কর্মসূচি পালনে ঐক্যবদ্ধ। জাতীয় কর্মসূচি পালনে রেল শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের বাধা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় রেলওয়ে শ্রমিকলীগ পাহাড়তলী কারখানা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় র্যালি পূর্ব শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত আহ্বান জানান।
পাহাড়তলী কারখানা শাখার সভাপতি মো. আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মাধব চন্দ্র মল্লিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মিল্কি’র যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রেলওয়ে শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি উপদেষ্টা অরুণ কুমার দাশ, সহ-সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক শ্রী গোকুল চক্রবর্তী, সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. শামীম শাহরিয়ার পাপ্পু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবু সুফিয়ান, সহ-ক্রীড়া ও সাংষ্কৃতিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম সাজ্জি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা লুৎফা বেগম, নির্বাহী সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন শাখা উপ-কমিটির পক্ষে আবদুল ওহাব, মো. আউয়াল হোসেন, মো. জামাল উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, মশিউর রহমান, ইসমাইল উদ্দিন দিনার, মো. রেজাউল করিম বাবু, মো. সালাহ উদ্দিন প্রমুখ। রেল শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র্যালি পাহাড়তলী কারখানা শাখার শহীদ মিনার হতে শুরু হয়ে কারখানা, বিএন-১, বিএন-২ কার্যালয় এলাকা পদক্ষিণ করে ডিআরএম কার্যালয়ের সম্মুখে এসে শেষ হয়।