Sunday, September 20

জেলে অস্থির রাত কেটেছে সালমানের

0

জেলখানায় রাতে ঘুমাতে পারেননি সালমান খান। নিজের সেলের বাইরে অনেক রাত পর্যন্ত হাঁটাহাঁটি করেছেন তিনি। পুলিশের পক্ষ থেকে ভেতরে যেতে বলা হলেও তিনি যাননি। কড়া পাহারা রাখা হয়েছিল সালমানের ২ নম্বর সেলের সামনে।

জোধপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল পুরো রাত খুব অস্থির সময় কাটিয়েছেন সালমান।

কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের দায়ে ৫ বছরের সাজা হওয়ার পরে জেল কর্তৃপক্ষ বলেছিলেন, কয়েদি হিসেবে কোনও বিশেষ সুবিধে পাবেন না সালমান। যদিও ডিআইজি (কারা) বিক্রম সিংহ জানান, সালমানের সেলে একটি কুলার থাকবে। সাধারণ কাঠের একটা খাট আর কম্বল দেওয়া হবে তাঁকে। আজ আবার কেউ কেউ দাবি করেন, মাটিতে শোয়ার জন্য চারটি কম্বল দেওয়া হয়েছিল সালমানকে। তবে কি ব্যবস্থা করা হয়েছিল তার সঠিক তথ্য নিয়ে ধোয়াশ রায়েছে।

জেল-সূত্র আরও জানায়, ধর্ষণে অভিযুক্ত আসারাম বাপুর ঠিক পাশের সেলটিতেই ছিলেন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’।

গতকাল জেলে পৌঁছানোর পরে সালমানের ডাক্তারি পরীক্ষায় দেখা যায়, তাঁর রক্তচাপ একটু বেশি। ক্রমশ তা কিছুটা স্বাভাবিক হয়। বাড়ি থেকে শুধু জামাকাপড় আনার অনুমতি পেয়েছিলেন তিনি। বরাদ্দ হয়েছিল জেলের খাবার। কিন্তু গত রাতে জেলের ডাল-রুটি-তরকারি ফিরিয়ে দেন সালমান।

এছাড়া সকালের চায়ের সঙ্গে অন্য বন্দিদের মতোই তাঁকেও দেওয়া হয় ছোলা-গুড়। কিন্তু প্রাতরাশের খিচুড়ি খাননি সালমান। তবে তিনি খবরের কাগজ চেয়েছিলেন। পরে তাকে একটি হিন্দি কাগজ দেওয়া হয়।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় দায়রা আদালতে সাজা স্থগিতের আর্জি জানানোর কথা ছিল। তার আগে জেলে সালমানের সঙ্গে দেখা করতে আসেন আইনজীবীরা। আসেন ছায়াসঙ্গী দেহরক্ষী শেরা। শুনানির সময়ে আজ আদালতে ছিলেন সালমানের দুই বোন অলবীরা এবং অর্পিতা। দুপুরের দিকে জেলে এসে দাদার সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। সালমানের দুই ভাই আরবাজ এবং সোহেলও আসতে পারেন বলে জানা গেছে।

এদিকে সবচেয়ে বড় চমক ছিল প্রীতি জিন্তা। হঠাৎ করে জোধপুর বিমানবন্দর থেকে বাহির হতে দেখা যায় সালমানের একাধিক সিনেমার নায়িকা প্রীতিকে। মুখের অনেকটাই সাদা টুপিতে আড়াল করা প্রীতি প্রায় আধ ঘণ্টা কাটান সালমানের সঙ্গে। বিয়ের পরে অনেকদিন ধরে আমেরিকায় থাকেন প্রীতি। এখন আইপিএলের জন্য দেশে ছিলেন কিংস ইলেভেনের মালকিন। সূত্র : আনন্দবাজার

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.