Friday, September 11

জয়পুরহাটে শর্টসার্কিটে আগুন ঝরে গেল পুরো পরিবার

0

জয়পুরহাট শহরে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আট সদস্যের পরিবারের আর কেউ বেঁচে রইল না। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথে চারজন ও পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়। এর আগে বুধবার রাতে জয়পুরহাট শহরের আরামনগর এলাকায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন।
নিহতরা হলেন, নিহতরা হলেন- দুলাল হোসেন ওরফে চান্দু (৬৫) আরাম নগর এলাকার দুলাল হোসেনের স্ত্রী মোমেনা বেগম (৬০), তার ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী মোমিন আহম্মেদ (৩৫) মোমিনের স্ত্রী পরিনা বেগম (৩২), নিহত মোমিনের মেয়ে, হাসি (১৫), খুশি (১৫), বৃষ্টি (১৪) ও দেড় বছরের ছেলে নূর।
জয়পুরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেনের ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাতে বাসায় রাইস কুকারে রান্না করার সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং পুরো বাড়ি পুড়ে যায় একই পরিবারের তিন জন নিহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে সেখানে থেকে তাদের ঢামেকে নিয়ে যাওয়া পথে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী আহসান ও রমিছা জানান, আগুন দেখে আমরা এগিয়ে গিয়ে জানালা ভেঙে পরিবারের ৮ সদস্যের মধ্যে শিশুসহ পাঁচজনকে বাহির করতে পারলেও আগুনের তাপের কারণে বাকিদেরকে আর বের করতে পারিনি।
এর আগে রাতে দুর্ঘটনার পর জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মমিনুল হক বলেন, ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যান। দগ্ধ পরিবারের অন্য ৫ সদস্যকে প্রথমে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা সিদ্ধান্ত হয়।
জয়পুরহাট পুলিশ সুপার রশিদুল হাসান বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগ ঘটনার তদন্ত করবে।
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.