গত দুই টানা গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে নগরীর নিম্নাঞ্চল। সেই সাথে খানাখন্দে ভরা রাস্তায় ব্যাহত হচ্ছে যানচলাচল।
বৃষ্টির কারনে নগরীর অধিকাংশ রুটে গণপরিবহন স্বল্প পরিসরে চলাচল করছে। এতে করে অফিস ও স্কুল-কলেজগামীদের চরম ভোগন্তিতে পড়তে হয়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকেও বাস-টেম্পু না পেয়ে অনেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, সিডিএ আবাসিক, আগ্রাবাদের নিচু এলাকায় জমেছে হাঁটুপানি।
চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছ, ২৪ণ্টায় ৭৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছো।আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডিউটি অফিসার মো: রুবেল গণমাধ্যমকে জানান, আগামী ২৪ ঘন্টা গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত হতে পারে।তবে কোন ভারী বৃষ্টিপাতের আশংকা নেই।
নগরীর জিইসি মোড়ের বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা জানান, তারা বাসের অপেক্ষায় প্রায় এক ঘন্টা দাঁড়িয়ে আছেন। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টির কারনে বিভিন্ন রাস্তায় হাঁটু পরিমান পানি, ফলে যানবাহনের সংকট হয়েছে।
নগরীর ওয়ারল্যাস মোড় থেকে জিইসি আসা টেম্পু যাত্রী সোহান আহমেদ বলেন, আধা ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে একটি টেম্পু পেয়েছেন অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তিনি এসেছেন।
নগরীর ৮ নং রুটের বাস চালক শাহেদ জানান, বৃষ্টির কারনে বিভিন্ন খানাখন্দে ভরা রাস্তায় বাস চালাতে কষ্ট হয়। তাই অনেকে আজ গাড়ী বের করেনি। ফলে পরিবহন সংকট হয়েছে।
এদিকে গণপরিবহন সংকটের কারনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন সিএনজি ও রিক্সা, টেম্পু চালকরা। ন্যায্য ভাড়ার চেয়ে দুই তিন গুণ ভাড়া বেশি আদায় করছে যাত্রীদের কাছ থেকে। সাধারণ মানুষ নিরুপায় হয়ে দুই তিন গুণ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন।