Saturday, August 29

ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্ত করে পরিবারে কাছে হস্তান্তর

0

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে তুর্ণা নিশিথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত ও অর্ধ শতাধিক আহত হয়েছেন। এরই মধ্যে ১৬ জনের পরিচয় পাওয়ার পর পরিবারে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন শাহ আলম জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন বেশ কয়েকজন। এর আগে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা হলেন-চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পশ্চিম রাজারগাঁওয়ের মুজিবুর রহমান (৫৫), হবিগঞ্জের ভোল্লার ইয়াছিন আরাফাত (১২), চুনারুঘাটের তিরেরগাঁওয়ের সুজন আহমেদ (২৪), মৌলভীবাজারের জাহেদা খাতুন (৩০), চাঁদপুরের কুলসুম বেগম (৩০), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আল-আমিন (৩০), হবিগঞ্জের আনোয়ারপুরের আলী মোহাম্মদ ইউসুফ (৩২), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আদিবা (২), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সোহামনি (৩), চাঁদপুরের উত্তর বালিয়ার ফারজানা (১৫), চাঁদপুরের হাইমচরের কাকলী (২০), হবিগঞ্জের রিপন মিয়া (২৫), চাঁদপুরের হাইমচরের মরিয়ম (৪), নোয়াখালীর মাইজদির রবি হরিজন (২৩), চাঁদপুর সদরের ফারজানা (১৫), হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পিয়ারা বেগম (৩২)।

এ ছাড়া কুমিল্লা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), সদর হাসপাতাল, আখাউড়া এবং কসবা উপজেলা হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে এক লাখ এবং আহতদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় রেল মন্ত্রণালয়। এছাড়া নিহতদের মরদেহ দাফনে সহযোগিতার জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেয় জেলা প্রশাসন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.