Wednesday, September 9

তালিকা প্রায় চূড়ান্ত, জোট-শরিকদের ৬৫-৭০টি আসন দেয়া হবে: কাদের

0

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নাম আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে। জোটের শরিকদের ৬০-৬৫টি আসন দেয়া হবে। জানালেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের নেত্রী যেটা বলেছেন তা হলো ৬৫ থেকে ৭০টি আসন শরিকরা পাবেন। যদি মনে হয় উইনিবল প্রার্থী বেশি আছে তাহলে সেটা বাড়ানো যেতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের মনোনয়নের বিষয়টা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তালিকা প্রায় চূড়ান্ত। তবে আমাদের অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আলোচনা করে ফাইনাল করা হবে। অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আলোচনা করে একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী চাই। যিনি উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী বলে বিবেচিত হবেন, তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে যদি আওয়ামী লীগের বাইরে ১৪ দলের অন্য কাউকে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হয়, তবে তাকেই আমরা মনোনয়ন দেব। সেই প্রার্থী জাতীয় পার্টি কিংবা অন্য কোনো শরিক দলেরও হতে পারে।’
এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, জরিপ রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা নমিনেশনটা দিয়েছি। যাদের ছয়মাস আগেও খারাপ ছিল তারা হয়ত এখন ভালো হয়েছে। তাই তাদের নমিনেশন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৪ দলের ইলেকটেড যারা আছেন তাদের বাদ দেয়ার চিন্তা নেই। যদি একান্ত কারও পজিশন খারাপ হয় সেটা ভিন্ন কথা। জরিপ অনুসারে কেউ যদি ইলেকটেবল না হয় তাহলে তিনি ১৪ দল হোক আর যেই হোক তাকে নমিনেশন দেয়া হবে না।
অপরদিকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘একাধিক মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তি কি করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেন? বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি জাতির কাছে বলতে চাই, একজন দণ্ডিত পলাতক আসামি এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারে কিনা? নির্বাচন কমিশনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দুটি মামলায় দণ্ডিত পলাতক এ রকম কেউ এভাবে ভিডিও কনফারেন্স করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে কিনা- আমি সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাইছি।’

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.