প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের দেয়ার জন্য ত্রাণের গচ্ছিত টাকা ও ফাইলপত্র নিয়ে বহিষ্কৃত নেতা এম এস চৌধুরী শুভ উধাও হয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) এর কার্যালয়ের চাবি ও ফাইলপত্র দেখভাল করে আসছিল এম এস চৌধুরী শুভ। তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পদক পদে দায়িত্বরত ছিলেন। চেয়ারম্যানের বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে তিনি অর্থ আত্মসাতে মাতোয়ারা হয়ে উঠে। এ অবস্থা চেয়ারম্যান বুঝতে পারার পর থাকে গত ৯ এপ্রিল দল থেকে বহিস্কার করা হয়। বহিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে অফিসে গচ্ছিত ত্রাণের ৪৬ হাজার টাকা, সংগঠনের ১০০টি সংবিধান, সংগঠনের সদস্য ফরম, ২ হাজার লেটার প্যাড, খাম, অফিসিয়ালী খুব জরুরি জিনিসপত্র, জেলা কমিটি, মহানগর কমিটি, উপজেলা কমিটি, হিসেব নিকাশের ফাইলপত্রসহ সব ধরনের ডকুমেন্ট ঐ বহিষ্কৃত নেতা নিয়ে যায়। এই সংগঠনটির এরূপ দেখে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন সদস্যরা। এ বিষয়ে সংগঠনের তৃণমূল এনডিএমের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আবদুস সোবহান, আবদুর রশিদ, দিলীপ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর আহবায়ক নুরুল কবির শাহ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক পিকাশ শীল সাগর, মহানগর মহিলা নেত্রী সুলতানা বেগম রুপা, হাটহাজারী নেতা যিশু দেবনাথসহ একাধিক সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুভ’র মতো লুটেরা সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এর আগে কোনোকালে আমরা কেউ দেখেনি। সবকিছু গায়েব করে দিয়েছেন তিনি। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
বহিস্কৃত নেতা এম এস চৌধুরী শুভ’র ব্যাপারে ডবলমুরিং থানার ওসির সাথে মৌখিকভাকে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) থেকে তাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য তাকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছেন সংবিধানের ১৭নং ধারার ক্ষমতাবলে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (তৃণমূল এনডিএম) চেয়ারম্যান খোকন চৌধুরী।