হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী,মীরসরাই : মীরসরাই উপজেলার নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম শুভপুর মুহুরী প্রজেক্ট বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকেরা ত্রাণ না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শ্রমিক ইউনিয়নের রেজি নং-(২৬৮৩) এবং মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (১৫৮২) এই দুটি সংস্থা বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ত্রাণ না পাওয়ায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এক পর্যায়ে মীরসরাই উপজেলার নির্মাণ শ্রমিক সভাপতি জনাব আজিজুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ন্যাশনাল নিউজকে জানান আমাদের মীরসরাই উপজেলার নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্গত ৫/৬ হাজার লোক কাজ করে আসতেছি। কিন্তু বাংলাদেশের করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউন করায় শ্রমিকেরা বিভিন্ন কলকারখানায় কাজ করতে পারতেছে না। তারা গৃহ বন্ধী হয়ে রয়েছে। এমতাবস্থায়, শ্রমিকেরা ঝড় হয়ে গত ১৩/০৪/২০২০ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি দরখাস্ত পেশ করছিলেন। সেখান থেকে কোন ফলাফল না পেয়ে শ্রমিকের ক্ষোপেফেটে পড়েন। অনেক শ্রমিক ইতোমধ্যে না খেয়ে অনাহারে দিন যাপন করতেছেন। সাম্পৃতিক বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের করাল থাবায় মানবতার বিপর্যয় নেমে এসেছে। শ্রমিকেরা বহু জায়গায় ঘুরা-ঘুরি করার পরও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। শ্রমিক খেটে খাওয়া মানুষ গুলো আর দুই এক দিনের মধ্যে যদি ত্রাণ না পায় রাস্তায় নেমে আসার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।
এই বিষয়ে মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জনাব বীর মুক্তি যোদ্ধা আবুল কালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ন্যাশনাল নিউজকে জানান করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত কারণে কর্মহীন শ্রমিকদের আস্বস্থ্য করেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ বাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেছিলেন কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য বিশেষ প্রনোদনা ঘোষণা করেছিলেন। ইতিমধ্যে আমরাও বিভিন্ন জায়গায় দরখাস্ত দিয়ে ও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। আজ এমন অবস্থা হয়েছে শ্রমিকেরা ঘরের মধ্যে বসে থেকে খাবার না খেয়ে অনাহারে দিন যাপন করতেছেন। এমতাবস্থায়, শ্রমিকদের দাবি-দাবা নিয়ে আমরা মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি দরখাস্ত পেশ করেছি। সেখান থেকে ও কোন প্রতিকার পচ্ছি না। এই অবস্থায় শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যেকোন মুহুর্তে তারা আন্দোলনে নেমে যেতে পারেন। তারা মিডিয়ার সাংবাদিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন এই খেটে খাওয়া মানুষগুলো দুবেলা দু মুঠো ভাত খেয়ে যেন ঘরে থাকতে পারেন। এটাই তাদের দাবী।