প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বললেন, পুলিশ বাহিনীকে শক্তিশালী ও আধুনিকায়নের কাজ করছে সরকার। পুলিশের উপর মানুষের আস্থা ফিরেছে। শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে উন্নত করে দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা উন্নতি করতে হবে। জঙ্গীবাদ ধমনে প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশাংসা করেন।
আজ রোববার সকালে গণভবনে রংপুর ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গ অবহেলিত ছিল। আমরা এ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ করছি। রংপুর যেহেতু বিভাগ হয়েছে সেহেতু্ এ এলাকার মানুষকে বিভাগীর সুবিধা যেন পায় তার জন্য মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন ইউনিট শিল্প অঞ্চল ও এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করবে।
উদ্বোধনের ফলে আজ থেকে রংপুর ও গাজীপুর মেট্রোপলিটনির কার্যক্রম শুরু হলো। ২০১০ সালে দেশের সপ্তম বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। চালু হওয়া এ মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতায় রয়েছে ৬টি থানা। যা হলো- কোতয়ালি, তাজহাট, মাহিগঞ্জ, হারাগাছ, পরশুরাম ও হাজিরহাট থানা। ২৪০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের নতুন এ মেট্রোতে ছয়টি থানা ছাড়াও দু’টি পুলিশ ফাঁড়ি (ধাপ ও নবাবগঞ্জ) রয়েছে। ১ হাজার ১৮৫ জন জনবল ও ১৩০টি যানবাহন নিয়ে নগরবাসীকে সেবা দিতে প্রস্তত রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। ইতোমধ্যেই পুলিশ কমিশনারসহ ৯০ ভাগ জনবল নিজ নিজ পদে যোগ দিয়েছেন।
২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি গাজীপুর পৌরসভাকে ১১তম সিটি করপোরেশন হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিটি করপোরেশনে মহানগর পুলিশ গঠনে আইনের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতায় থাকবে আটটি থানা। জিএমপির নতুন থানা ও এর অধিভুক্ত এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আওতাধীন আটটি নতুন থানা হলো সদর (বর্তমান জয়দেবপুর থানা), বাসন, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর, গাছা, পূবাইল, টঙ্গী পূর্ব ও টঙ্গী পশ্চিম থানা।