কিউ এইচ কবির
চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে মুরাদপুর বেলাল মার্কেটের পাশে আট তলা ভবন সিডিএর প্ল্যান নিয়ে নয়তলা ভবন করায় ২৫,৪৭,১৫০০,০৭২.২৭০ ৩৫/২০২৮ স্মারক মুলে মোঃ এয়াকুব গং সর্বপিতাঃ হাজী মোঃ হাবিবুর রহমান সাং মুরাদপুর মোড় (বেলাল মসজিদ সংলগ্ন) ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ ও তৎসংশোধনী আইন ১৯৮৭ এর ৩বি ধারা মোতাবেক গত ১৩ আগষ্ট ২০২৪ইং তারিখে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন সিডিএ। জানা যায়, নোটিশের পরও এয়াকুব গংরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নেই সিডিএ কতৃপক্ষের কোন নজরদারী।
সিডিএ নোটিশ সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ খানার অন্তর্গত পশ্চিম মোলশহর মৌজার আর.এস দাগ নং ৪৪৮৭ (অংশ) এবং বি.এস দাগ নং ১৫১৪১ (অংশ) তপশীলভুক্ত জমিতে বিসি কেইস নং ৬৭৫/০১/১৩-১৪ মূলে একটি ০৮ (আট) তলা আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ইমারত নির্মাণের নকশা অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। উক্ত অনুমোদিত নক্শ্য মোতাবেক নির্মাণ কাজ করতে বলা হয়েছিল। সিডিএ কতৃপক্ষ তদন্ত করে দেখেন যে, উক্ত অনুমোদনের শর্তাবলী লংঘন করে মালিক মোঃ এয়াকুব গংরা বাতিক্রমীভাবে ০৯ (নয়) তলা আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ইমারতের নির্মাণ কাজ করিতেছেন, নির্মানাধীন ভবনের ব্যতিক্রমী গুলো হলো উত্তবে ১.০০ মিটার রাখার পরিবর্তে ০.৬২ মিটার খালি রাখা হয়েছে। দক্ষিণে ১.৩৮ মিটার রাখার পরিবর্তে ১.০০ মিটার খালি রাখা হয়েছে। পূর্বে ১.৫০ মিটার রাখার পরিবর্তে ১.৫০মিটার খালি রাখা হয়েছে। পশ্চিমে (রাস্তার পার্শ্বে) ৩.১৫ মিটার রাখার পরিবর্তে ০.০০ মিটার খালি রাখা হয়েছে। তাছাড়া, ০৮ তলা আবাসিক কাম বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন গ্রহণ করে ব্যতিক্রমীভাবে ৯ (নয়) তলা ভবন নির্মাণ করেন এবং পার্কিং এর স্থলে নবাব হোটেল নামীয় বাণিজ্যিক ব্যবহার করছেন। নোটিশে বলা হয়, ইমারত নির্মাণের যে নকশা অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, উক্ত অনুমোদিত নকশার ব্যতিক্রমীভাবে নির্মাণ কাজ করায় ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ (ই.বি আইন-২, ১৯৫২, যা ১৯৮৭ সালের ১২নং আইনের মাধ্যমে সংশোধিত)। এর ৩বি ধারায় কেন আপনার/আপনাদের বিরুদ্ধে ইমারত নির্মাণ আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা অত্র নোটিশ প্রাপ্তির ৭(সাত) দিনের মধ্যে তার কারণ দর্শানোর জন্য এতদ্বারা নির্দেশ প্রদান করা হল। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত ব্যতিক্রমী অপসারণ ব্যতিত সকল ধরনের নির্মাণ কাজ এবং সুপার সপ বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হল। অন্যথায়, ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ ও তৎপরবর্তী সংশোধনী আইন ১৯৮৭ অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে বিল্ডিং রক্ষনাবেক্ষন দায়িত্বে থাকা মোশারফ হোসেন বলেন, এ্ই নিউজ করলে আপনাদের লাভকি। বিল্ডিং এর মালিক দেশের বাইরে থাকে। তাছাড়া আমরা যদি নয়তলা করে থাকি সেটা সিডিএর সাথে বুঝবো। তাদের সাথে বসে ঠিক করে নিবো।
এই বিষয়ে সিডিএ পাঁচলাইশ পরিদর্শক আব্দুর রশিদ এ বিষয়ে বলেন, আমরা কারন দর্শানো নোটিশ দিয়েছি। তারা এখনো এর জবাব দেয়নি। তারা নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কাজ অব্যাহত রাখে খুব শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।