নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের পালক মেয়ে ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী মোছা. অন্তরা বেগম (১৬), বাল্য বিয়ের ১০ দিনের মাথায় গতকাল সন্ধ্যায় আত্মহনন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১০ দিন আগে তার পালক বাবা- মা দৌলতপুর উপজেলার ধামশরের বাংগলা গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে পল্লী পশু চিকিৎসক শাহীনুর (২৫) এর সাথে বিয়ে দিয়েছিল। অন্তরা ২০১৯ সালের জেএসসি পরিক্ষায় সিংদাইর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ গ্রহন করে।
অন্তরা কে বাড়িতে রেখে, বাবা-মা অলংকার বানাতে ছোনকা বাজারে আসেন, কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে মেয়েকে ডাকা ডাকি করেন। অবশেষে ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে, ধাক্কা দিয়ে দেখেন দরজা ভেতর থেকে লাগানো। পরে, দরজা ভেঙ্গে দেখেন মেয়ে ধরনার সাথে ওরনা পেচিয়ে ফাঁসে ঝুলছে। প্রতিবেশিদের সহযোগীতা চাইলে, প্রতিবেশীরা এসে থানায় বিষয়টি জানায়।
ফাঁস নেয়ার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে গতকাল ২৬-১১-১৯ ইং সন্ধ্যায় অনুমানিক ৬.৪৮ মিনিটে এসআই মো. নূর মোহাম্মদ এর নেতৃত্বে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি দল অন্তরাকে তার বাবার বসত ঘরের ধরনার সাথে ওরনা পেচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নিধর পায়। পরে তাকে ওরনা থেকে নামিয়ে মৃত নিশ্চিত হলে, লাশ নাগরপুর থানায় নিয়ে আসেন। সুরুত আল রিপোর্ট প্রস্তুুত করে একটি অপমৃত্যুর মামল দায় করেন এবং লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরন করা হয়।
অন্তরার বিবাহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসার এখন পর্যন্ত কোন কাগজ হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন, তবে তিনি শুনেছেন যে ১০ দিন আগে ছেলে-মেয়ের অভিভাকরা কোর্টে গিয়ে কোর্ট ম্যারিজের মাধ্যমে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করছিলেন।
এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলম চাঁদ আত্নহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফাঁস নেয়ার সংবাদ পেয়ে দ্রুত এসঅই মো. নূর মোহাম্মদ এর নেতৃত্বে নাগরপুর থানা পুলিশের একটি দল প্রেরন করা হয়।ঘটনা স্থলে গিয়ে এসআই নুর মোহাম্মদ গতকাল ২৬-১১-১৯ ইং সন্ধ্যায় অনুমানিক ৬.৪৮ মিনিটে অন্তরাকে তার বাবার বসত ঘরের ধরনার সাথে ওরনা পেচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় নিধর পায়। পরে তাকে ওরনা থেকে নামিয়ে মৃত নিশ্চিত হলে, লাশ নাগরপুর থানায় নিয়ে আসেন। সুরুত আল রিপোর্ট প্রস্তুুত করে একটি অপমৃত্যুর মামল দায় করেন এবং লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরন করা হয়। এই মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।