Friday, September 11

প্রশাসনের কঠোর ভূমিকায় খোকসায় উন্মুক্ত হলো মৌটুসীর স্কুলে যাওয়ার পথ।

0

খোকসা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা পৌরসভার ২নং ওর্য়াডের চুনিয়াপাড়া গ্রামে র্পূব শত্রুতার জের ধরে কৃষক মাফুজুর রহমানের। পরিবার কে অবরুদ্ধ করে রাখে, প্রতিবশী সনাতন বিশ্বাস। এতে পড়াশোনার বিঘ্ন ঘটে খোকসা জানিপুর মডেল সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়ের ছাত্রী মৌটুসী।

প্রায় এক বছর আগে প্রতিবেশীরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার পর থকেে অবরুদ্ধ ছিল পরিবারটি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পথ না থাকায় গত এক বছর মৌটুসীকে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হতো বাঁশের মই বেয়ে প্রতিবেশীদের দেয়াল টপকে।এ সমস্যা সমাধানে উপজেলা নির্বাহী কর্মর্কতা, থানা পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের দরবারে গত এক বছরে কমপক্ষে ১২ বার সালিশ হয়। কিন্তু রাস্তা আর হয়নি। বাড়ি থেকে বেরনোর রাস্তা না থাকায় মৌটুসি ও তার পরবিাররে সদস্যরা নিজেদের বাড়ির মধ্যে বাঁশের মই বেয়ে প্রতিবেশী সনাতন বিশ্বাসের দেয়াল টপকে আসা-যাওয়া করতে বাধ্য হচ্ছিল।

 এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে জেলা পুলিশ প্রশাসন। থানায় আরও এক দফা সালিশ ডাকা হয়। তবে দেয়াল তুলে বাড়ির রাস্তা বন্ধ করা প্রতিবেশীরা সময় মতো সেখান হাজির হয়নি। সে রাতেই পুলিশ ভুক্তভোগী মাফুজুর রহমানের কাছ থেকে নতুন করে আরেকটি অভিযোগ গ্রহণ করে। পরে উপজলো প্রশাসনের কর্মর্কতারা সরজমিনে ঘটনাস্থল পরর্দিশন করেন।

 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমশিনার (ভূমি) নূর-এ-আলম, পৌরসভার মেয়র প্রভাষক মোঃ তারিকুল ইসলাম ও থানার ওসি এ বি এম মেহেদী মাসুদের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে সমাঝতা বৈঠক বসে।প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার বৈঠকের পর অবরুদ্ধ কৃষকরে বাড়ির দক্ষিণ দিকের প্রতবিশেী সনাতন বিশ্বাসের জমির র্পূব পাশের আইল দিয়ে চার ফুট চওড়া রাস্তা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। বিনিময়ে কৃষককে তার জমি থেকে ১.২৬ শতাংশ পরিমাণ জমি ছেড়ে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্তের দলিলে দুই প্রতিবেশী স্বাক্ষর করে।এর পর তাৎক্ষণিক সীমানা প্রাচীর ভেঙে মৌটুসীর পরিবারের রাস্তা মুক্ত করে দেওয়া হয়।

থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুপুরে মৌটুসি জানায়, এখন আর দেয়াল টপকাতে গিয়ে তাকে হাত-পায়ে আঘাত পেতে হবে না। বিনা বাধায় এখন স্কুলে যেতে পারবে। পড়ালেখার সুযোগ পাবে।মাফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী মিতা আফরোজ ধন্যবাদ জানান। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত ও গণমাধ্যমকে

ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত অমানবিক। শিক্ষার্থীর পরিবার একেবারে চার দেয়ালে বন্দি হয়ে পড়েছিল। বিষয়টির সমাধান হওয়ায় স্থানীয় পুলশি ও প্রশাসনের র্কমর্কতাসহ দুই পরিবারকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

উপজলো নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমশিনার (ভূমি)নূর-এ-আলম বলেন বিষয়টি জটিল হয়ে উঠেছিল। তবে দুই পক্ষের সমাঝতার মন মানসিকতা থাকায় বিষয়টি এত দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়ছে।এটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.