Thursday, August 20

প্রাণরক্ষার্থে দূর্গম পাহাড়ী পল্লীগুলোতে মাস্ক ব্যবহার সচেতনতা

0

কাপ্তাইপ্রতিনিধি :  মৃত্যু ও ভয় সকলের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সারা বিশ্বে প্রতিটি দেশে যখন মরনব্যাধি করোনা ভাইরাস সংক্রামণে প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল ভাড়ি হচ্ছে। তথাপি বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় এ ভয় ও আতঙ্ক প্রতিটি মুহুত রাত-যাপন করছে মানুষ ।

রাঙ্গামাটি জেলার ১০টি উপজেলার বিভিন্ন দূর্গম পাহাড়ী পল্লীতেও এ করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক বিরাজ করছে। আশি উর্ধ্বে তথা আবালবৃদ্বদের মধ্যেও দেখাযায় মাস্ক পড়ে কেনা,কাটা ও সংসারের টুকি-টাকি কাজ সেরে নিচ্ছে। এদিকে কয়েকটি পাহাড়ী পল্লীতে শিশু,মহিলা,যুবকদেরও দেখাযায় তারাও সচেতনতামূল সরকারের বার্তা এবং এ ভাইরাস হতে মুক্ত থাকতে মুখে মাস্ক পড়ছে। এবং বাসায় সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করছে।

কাপ্তাই ইউনিয়নের হরিনছড়া দূর্গম পাহাড়ী পল্লীর আশিউর্ধ্বে মংসুচাইন মারমা নিকট জানাতে যাওয়া হল কেন মাস্ক পড়ছেন,জবাবে বলেন,এখন ভাইরাসে সকলে মারা যাচ্ছে তাই পরি। এছাড়া সরকার তথা সকলে বলছে মাস্ক পড়লে এবং সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার রাখতে এ ভাইরাস হতে রক্ষা পাওয়া যাবে আর না হয় মরা যেতে হবে । রাইখংক পাড়ার সত্তর উর্ধ্বে উচেচিং চাকমা বলেন,আমরা জদি এ নিয়ম মেনে চলি তাহলে কঠিন এ রোগ হতে রক্ষা পাব তাই মাস্ক পড়ছি। কাপ্তাই ইউনিয়নের হরিনছড়া এলাকার ইউপি সদস্য নবীন মেম্বার বলেন,সরকার হতে আমাদের পাহাড়ী পল্লীগুলোতে এ ব্যবহার সকলের নিকট পৌছে দিতে বলেছে।

আমরা ও পাড়ায়,পাড়ায় বলে দিয়েছি তাই সবাই মাস্ক ব্যবহার করে। এরি মধ্যে অনেকই আবার এর ব্যবহার সম্পর্কে কিছুই জানেনা বলেন উল্লেখ করেন। এদিকে কাপ্তাই ইনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন,আমরা প্রতিনিয়ত এ ভাইরাস হতে রক্ষা পেতে কি কি করনিয় সকল ইউপি সদস্য তথা পাহাড়ী পল্লীর ইউপি সদস্যদের বলে দিয়েছি। এদিকে কাপ্তাই উপজেলা নিবার্হী অফিসার আশ্রাফ আহমেদ রাসেল জাননা,ইতি মধ্যে সরকারের বার্তা আমরা প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় সচেতনমূলক বিভিন্ন,লিফলেট,মাইকিং,সহ কর্মহীন লোকদের সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ করেন। তবে এ ব্যাপারে সকলের মধ্যে সচেতনতা ফিরে এলে আমরা এ কঠিনব্যাধী করোনা ভাইরাস হতে রক্ষা পাব বলে উল্লেখ করেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.