কিকিউ মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি: আর মাত্র কয়েকদিন পরই একাদশ সংসদ নির্বাচন। এই সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বান্দরবান আসনের প্রচার-প্রচারণায় দম ফেলার ফুরসত নেই প্রার্থীদের। এতে ১৪-দলীয় জোটের বর্তমান এমপি বীর বাহাদুর। অন্যদিকে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে ধানের শীষ প্রার্থী সাচিংপ্রু জেরী এবং ইসলামী আন্দোলনের সতন্ত্র প্রার্থী হাত পাখা মাওলানা মুফতি শওকতুল ইসলাম প্রচার-প্রচারণা একদম তুঙ্গে। প্রচারে যেন কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে তা নিশ্চিত করতে চাইছেন তিন প্রার্থীই। নির্বাচনী বিভিন্ন ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রার্থীরা যাচ্ছেন ভোটারদের দূয়ারে দূয়ারে। কিন্তু জেলার নতুন ভোটারদের দাবী যেই নির্বাচিত হোক যাতে জেলার শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ভূমিকা রাখবে এমন প্রার্থীকে পছন্দের তালিকা রাখবেন এবং তাদের প্রতি সুশীল সমাজের পরামর্শ কোন প্ররোচনায় না পড়ে ভোট প্রদানের সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে পছন্দের তালিকায় রাখবেন।
এবারে একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রথম ভোট প্রদান করবেন। সে মধ্যম পাড়া এলাকার তরুণ ভোটার আমিত চাকমা। তিনি বলেন, যেসব প্রার্থী তরুণ ও নতুন প্রজন্মের চাহিদা বুঝতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন, সেই প্রার্থীকে ভোট দেব।
আরেক তরুণ ভোটার সজীব বড়ুয়া মতে, শুধু দল ও গোষ্ঠী বিবেচনায় ভোটের দিন আর নেই। যিনি সবসময় এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের জন্য চিন্তা করে থাকে এমন যোগ্য প্রার্থীকে আমার প্রথম ভোটটি প্রয়োগ করবো।
এই বিষয়ে বান্দরবান সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত নতুন ভোটার অংমেসিং মারমা বলেন, এমন একজন এমপিকে চাই,যিনি আমাদের বিষয়টাকে বিবেচনা আনবেন। বিশেষ করে নারীদের সামনে এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নে যার অঙ্গীকার দৃঢ় হবে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৭টি উপজেলা,২টি পৌরসভা ও ৩৩টি ইউনিয়ন নিয়ে এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৫৪ জন। এর মধ্যে এবারে নতুন ভোটার যোগ হল ৬ হাজার ৫৮৬ জন।
উল্লেখ্য যে, বান্দরবানে আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, বিএনপি থেকে সাচিং প্রু জেরী ও ইসলামী আন্দোলন থেকে শওকতুল ইসলাম নির্বাচনে প্রার্থী হলেও মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে বীর বাহাদুর ও সাচিং প্রু জেরীর মধ্যে।