
ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) ভোর পৌনে ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর লেমুয়ায় ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান বলে নিশ্চিত করেছেন মহিপাল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কাওসার। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও একজন মারা যান বলে জানান তিনি।
এসআই কাওসার বলেন, পিকনিকের জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাচ্ছিল কুমিল্লা-ঢাকা (ঢাকা-মেট্রো-১৪-৭৫৭৮) প্রাইম পরিবহনের বাসটি। ফেনীর লেমুয়ায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের মধ্যে সবাই ঢাকা ও এর আশপাশের জেলার বলে জানান তিনি।
আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় জানা গেছে, তারা হলেন- আক্তার হোসেন (২২), অপু (২৫), ইকবাল হোসেন (৩৮), রহিম (১৩), আসলাম (৪০), ফয়সল (২৩), মুন্না (৫০), আয়শা আক্তার (১৭), নাজমা আক্তার (১৮), দুলাল (২৭), রিপন (৪০), রিপন মিয়া (৩০) ও দুলাল (৮)।
তারা সবাই ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পুলিশ ও আহতরা জানায়, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার বেড়াতে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের বহনকারী প্রাইম প্লাস পরিবহণের (ঢাকা মেট্রো-ব- ১৪-৭৫৭৮) বাসটি মহাসড়কের লেমুয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে ৭ জন নিহত ও আরও ২০ জন গুরুতর আহত হন। নিহতদের মরদেহ ২৫০ শয্যার ফেনী জেনারেল হাসপাতাল ও আহতদের শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু তাহের পাটোয়ারী বলেন, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে ও আহতদের জরুরি চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
আহত ও নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৯ সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার ও বান্দরবান ভ্রমণে যাচ্ছিলেন।