বঙ্গবন্ধুর সহকর্মী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না….রাজিউন)। সোমবার (১৮ মে) নগরের নাসিরাবাদের নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন পুত্র, তিন কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
এদিকে সোমবার দুপুর আড়াইটায় নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ কক্সবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) ইফতারের পর কক্সবাজার বায়তুশ শরফে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।
১৯৩৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর পেকুয়ার মগনামায় (তৎকালীন চকরিয়া) জন্মগ্রহণ করেন জহিরুল ইসলাম। তার পিতার নাম আশরাফ মিয়া, মাতা খুইল্লা বিবি। ১৯৬৭ সালে আইন পাস করা এই ব্যক্তি কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির দু’বারের নির্বাচিত সভাপতি। ১৯৯১ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৬০ সালে চট্টগ্রামের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক আজাদীর প্রতিষ্ঠালগ্নে তিনি সহসম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
১৯৬৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগ দেনজহিরুল ইসলাম। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি, সভাপতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার।
জীবদ্দশায় দুটি বইও প্রকাশ করেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম। এর একটি ‘পূর্ব পাকিস্তানের লবণ ও লবণ চাষীদের কথা’, অন্যটি ‘৬ দফা কি ও কেন?’।