রাজধানীর বনানীর ১৭ নম্বর রোডের এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহত বিদেশি ওই ব্যক্তির নাম নিরস। তিনি ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে মারা যান। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেলে আবদুল্লাহ নামে একজন মারা গেছেন বলে জানানো হয়।
এছাড়াও আরও কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বালুগ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে পারভেজ সাজ্জাদ (৪৭) বনানী ক্লিনিক, দিনাজপুর জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার আবুল কাশেমের ছেলে মামুন (ইউনাইটেড হাসপাতাল), আমিনা ইয়াসমিন (৪০) (অ্যাপোলো হাসপাতাল), মাকসুদুর (৬৬) ও মনির (৫০)।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ভবনটির ৯ তলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে।
ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে হেলিকপ্টারে বালু ফেলে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সেখানে তিনটি হেলিকপ্টার আগুন নেভানোর কাজ করছে।
এছাড়াও ল্যাডার ইউনিট (বহুতল ভবন থেকে উদ্ধারকারী সিঁড়ি) ও মোটরসাইকেল ইউনিটও উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানান, একজন দড়ি দিয়ে নামার সময় ঠিকমতো ধরতে না পারায় অনেক ওপর থেকেই সরাসরি মাটিতে পড়ে যান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।
এছাড়া ভবনের ভেতর এখনও আটকা আছেন অনেকে। তারা ভেতর থেকে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন। ভবনটির ভেতর থেকে পাঠানো এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় এক নারী বলছিলেন, সিঁড়ি না পাঠালে মারা যাবো, দ্রুত সিঁড়ি পাঠান। আমরা নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।
বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে একটার দিকে এফআর টাওয়ারের ৯ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।