Friday, September 25

বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কোনও আলোচনা নয়: খামেনি

0

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। সোমবার খামেনি বলেন, যদি এমনটা ঘটে-আপাতত অসম্ভব-বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কোনও আলোচনাই হবে না। খবর আল-জাজিরার।

ইরানের সর্বোচ্চ এই রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক বলেন, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির মাধ্যমেই আমরা যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ দেখেছি। তাই কেবল শক্তিশালী অবস্থানে যাওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ইরান, যাতে তাদের হুমকি-ধামকি আমাদের ওপর প্রভাব না ফেলে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে সিরিজ টুইটের মাধ্যমে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেন খামেনি। এক টুইট বার্তায় খামেনি লিখেন, সম্প্রতি মার্কিন কর্মকর্তারা আমাদের নিয়ে শিষ্টাচার বহির্ভূত কথাবার্তা বলছেন। নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও তারা যুদ্ধ এবং আলোচনার কথা বলছেন। এ বিষয়ে আমি কয়েক শব্দে বলবো, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধও হবে না, কোনও আলোচনাও হবে না।
আরেক পোস্টে তিনি লিখেন কেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না ইরান।

গেল মে মাসে ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয়জাতির পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আলোচনার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি কোনও ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তবে এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, এ ধরনের কোনও আলোচনা হওয়ার আগে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জবাবে রুহানি জানান, তার দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না তেহরান। তবে তিনি সরাসরি বৈঠকের বিষয়টি নাকচ করে দেননি।

একই মনোভাব পোষণ করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ। তিনি বলেন, আলোচনায় বসতে আমাদের কোনও সমস্যা নেই, কিন্তু আলোচনার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কী সিরিয়াস?

উল্লেখ্য, গেল ৭ আগস্ট তেহরানের ওপর প্রথম দফার নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করে ওয়াশিংটন। ইরানের বৃহত্তম রপ্তানি তেল ও গ্যাস খাতকে টার্গেট করে আরেক দফার নিষেধাজ্ঞা আগামী নভেম্বরে কার্যকর হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.