আজ নতুন বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ হলো । এবারের চন্দ্রগ্রহণকে ‘সুপার ব্লাড ওলফ মুন’ বা ‘রক্তিম নেকড়ে চাঁদ’ বলে বর্ণনা করছেন বিজ্ঞানীরা। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়ে চলে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। তবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের আকাশে দেখা গেলেও সময়ের ব্যবধানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায় নি।
বছরের শুরুতেই বিরল চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী হলো বিশ্ব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মানুষ প্রত্যক্ষ করলেন ‘সুপার ব্লাড উলফ মুন’। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে শুরু হওয়া চন্দ্রগ্রহণ শেষ হয় বেলা ১টা ৪৮ মিনিটে।নিজের কক্ষপথে আবর্তনের যে পর্যায়ে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, তখনই দেখা যায় সুপার মুন। এসময় পৃথিবী থেকে চাঁদকে ১৪ শতাংশ বড় দেখায়। আর, এর উজ্জ্বলতাও বেড়ে যায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত।
সোমবারের চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের দিকে তাকালে দেখা যায় লাল রঙের আভা। মূলত প্রতিসরণের ফলে আলো পৃথিবী থেকে ঠিকরে চাঁদের অন্ধকার জায়গায় গিয়ে পড়াতেই লাল হয়ে ওঠে চাঁদ। তাই এই চাঁদকে বলা হচ্ছে ‘ব্লাড মুন’।বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই দেখা যায় সুপার ব্লাড উলফ মুন। ফ্রান্স, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও স্প্যানিশ উপকূলে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায়। ইউরোপের বাকি অংশ ও আফ্রিকা থেকে দেখা যায় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। তবে, কোথাও কোথাও বাজে আবহাওয়ার কারণে ব্যহত হয় চন্দ্রদর্শন। এছাড়া, সুপার ব্লাড মুন দেখার সুযোগ হয়নি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দাদের।
এ বছর মোট তিনবার সুপারমুন দেখা যাবে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় এবং মার্চের পূর্ণিমায় দেখা মিলবে তৃতীয় সুপার মুনের।