বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের রূপগঞ্জের আনন্দ হাউজিং এ ২৪ কাঠা জমির ওপর বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি জব্দ করার পর এর ভেতরে তল্লাশি চালানো হয়। এর আগে, গত ৬ জুলাই অভিযান চালিয়ে বাড়িটি সিলগালা করা হয়।ভবনটির ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির এসি, ফ্রিজ, টিভি, রান্নাঘরের জিনিসপত্র, বইপত্র, একটি ঝারবাতি ও একসেট সোফা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
এরআগে, গত ৬ জুলাই দুদকের নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক মাইনুল হাসানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যর একটি দল ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের এডিসি রাজস্ব শফিকুল আলমের নেতৃত্ব একটি দল ভবনটির প্রবেশ গেইটে সম্পত্তি ক্রোকের একটি সাইবোর্ড সাঁটিয়ে দেয়। পরে পুরো ভবনটি পরিদর্শন করে ভবনটির দরজা অত্যাধুনিক তালা দিয়ে বন্ধ রাখায় ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় বুধবার পুনরায় অভিযান চালায় দুদক ও জেলা প্রশাসক। আজ তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযান শেষে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শফিকুল আলম জানান, সাবেক আইজি বেনজির আহমেদের এই বাড়ির সকল ধরনের ফার্নিচার খুব সাধারণ মানের।দেশীয় প্রযুক্তির এসি, ফ্রিজ, টিভি, রান্নাঘরের জিনিসপত্র— একটি সাধারণ পরিবারের যেমন থাকে তেমনি আছে। কিছু বইপত্র, একটি ঝারবাতি ও একসেট সোফা ছাড়া বিশেষ কিছু নেই এই বাড়িতে। এত দীর্ঘ সময় তল্লাশি ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশে বাধার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে শফিকুর আলম বলেন, ‘প্রত্যকটা জিনিস নির্ভুলভাবে তালিকা করার জন্যই এত সময় ব্যয় ও সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকানো হয়নি।’
এ ব্যাপারে দুদকের উপ–পরিচালক মঈনুল হাসান জানান, মামলার আদেশের প্রেক্ষিতে তারা এই অভিযান চালিয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্ব ভবনটির ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন আসবাবপত্র পেয়েছে। সেগুলোর তালিকা করা হয়েছে।