Friday, August 14

বড়পুকুরিয়া কয়লা জলাশয়ের পানি কয়েকটি গ্রামে ঢুকে পড়ায় ঘর বাড়ির ক্ষতিসাধণ \

0

মো. আশরাফুল আলম ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি: বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির জলাশয়ের পানি কয়েকটি গ্রামে ঢুকে পড়ায় খনি এলাকায় পূর্ব ও উত্তর অংশের বৈদ্যনাথপুর ও বাশপুকুর গ্রামে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধণ হয়েছে। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি উৎপাদন শুরু থেকে খনি এলাকার পূর্ব ও উত্তর অংশের ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলনের কারণে প্রায় ৪ শত একর জমি দেবে যায়। প্রতি বছর ঐ এলাকার সমুদয় পানি ঐ জলাশয়ে জমা হয়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি উৎপাদনের আগে খনি কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের কোন পরিকল্পনা না নেওয়ায় জলাশয়ে পানি জমা হতে থাকে। পানি জমা হওয়ার কারণে প্রতি বছর এই পানি বৃদ্ধি হয়ে থাকে। চলতি বছর বর্ষা মৌসুশে জলাশয়ে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই পানি গ্রাম গুলিতে ঢুকে পড়ায় বাসা বাড়ির চরম ক্ষতি সাধন হচ্ছে এবং পানি বন্দি অবস্থায় শতাধিক পরিবার।
বাশপুকুর গ্রামে মৃত বছির উদ্দীনের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, যে হারে পানি বৃদ্ধি হচ্ছে তাতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে গ্রামের কাঁচা পাঁকা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে পড়বে এবং পড়ছে। বৈদনাথ পুর গ্রামের আতিয়ার রহমান, মতিয়ার রহমান,মোঃ আরমান, বাবলু, সাকিল, একরামুল , ইসমাইল ও মোস্তাফা সহ বেশ কয়েক জনের ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে। তারা অনেক কষ্টে পানিতে বসবাস করছে। দীর্ঘ ১ যুগ ধরে এই জলাশয় হওয়ায় পানির তোড়ে প্রায় ২কি.মি রাস্তা ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে। খনি কর্তৃপক্ষ বিকল্প কোন ব্যবস্থা গ্রাহন না করায় ৯ নং হামিদপুর ইউনিয়নের ১০-১২টি গ্রাম এখন ভুতড়ে এলাকায় পরিনত হয়েছে।
বৈদ্যনাথ পুর বাশপুকুর গ্রামে মোঃ সুমন সাংবাদিকদের কে বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে খনি কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না নিলে আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। খনি এলাকার কয়েকটি গ্রামের শতাধিক স্থানিয় জনগণ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ও পেট্রো বাংলার চেয়ারম্যান এর জরুরি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.