চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে ভারতকে রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রান করে মাশরাফি বাহিনী।২৮তম ওভারে তামিম আউট হওয়ার পর ৩৫ ও ৩৬তম ওভারে সাজঘরমুখী হন দুই ব্যাটিং ভরসা সাকিব আল হাসান ও মুশফিক। তাদের পথ ধরে মোসাদ্দেক ও মাহমুদউল্লাহও উইকেটে আর টিকে থাকতে পারেননি। উইকেট অনেকটাই বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন তারা।
মুশফিকুর রহিম ৬১ ও সাকিব আল হাসান ১৫ রানে বিদায় নেন। এরপর মোসাদ্দেকও ১৫ রান করে সহজ ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে পা বাড়ান। শেষ দিকে মাশরাফির ২৫ বলে ৩০ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসটি ছিল ৫টি চারে সাজানো।
ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথমেই সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ভুবনেশ্বর কুমারের ষষ্ঠ বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর জুটি গড়েন তামিম-সাব্বির। তবে মারমুখী ব্যাটিং শুরু করে দ্রুতই নিজের উইকেটটি বিলিয়ে দেন সাব্বির। ভুবনেশ্বরের বলে ক্যাচ তুলে দেন জাদেজার হাতে। বিদায়ের আগে তিনি ২১ বলে চারটি চারের সাহায্যে করেন ১৯ রান। দলীয় ৩১ রানের মাথায় দুই উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা।
বিপদ এড়াতে লড়াই শুরু করেন তামিম-মুশফিক জুটি। তবে দু’জনেই অর্ধশতক তুলে নিলেও নিজের ইনিংসটা বড় করতে পরলেন না কেউই। ইনিংসের ২৮তম ওভারে বিদায় নেন তামিম। যাদবের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তামিম ৮২ বলে ৭টি চার আর ১টি ছক্কায় করেন ৭০ রান। এরপর কিছুটা দেখে-শুনেই ব্যাটিং শুরু করেন সাকিব। তবে ব্যক্তিগত ১৫ রানে সাঝঘরে ফেরান জাদেজা। তারপর আর ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারলেন না মুশফিক। যাদবের বলে কোহলির তালুবন্দি হন তিনি। এর আগে, ৮৫ বলে চারটি চারের সাহায্যে ৬১ রান করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।
এরপর মোসাদ্দেক ফেরেন জাসপ্রিত বুমরাহর তালুবন্দি হয়ে। ব্যক্তিগত ১৫ রান করে বোলারের হাতেই ধরা পড়েন তিনি। পরে ইনিংসের ৪৫তম ওভারে বিদায় নেন মাহমুদুল্লাহ। এরপর মাশরাফি ও তাসকিন অপরাজিত থেকে আরো ৩৫ রান যোগ করলে ভারতের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২৬৫ রান।
তামিম-মুশফিকের শতরানের জুটি
তৃতীয় উইকেট জুটিতে তামিম-মুশফিক ১২৩ রানে সংগ্রহ করেন। দলীয় ১৫৪ রানের মাথায় তামিম ৭০ রান করে যাদবের বলে বোল্ড হন। ৮২ বলে গড়া তার ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও একটি ছক্কার মার।
ভারতের ভুবনেশ্বর কুমারের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। পরে সপাটে ব্যাট চালিয়ে বাংলাদেশকে বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দেখানো সাব্বিরও ৭ম ওভারে ভুবনেশ্বরের বলেই বিদায় নেন। দলীয় ৩১ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
এরপর ক্রিজে আসেন বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।