Tuesday, September 29

ভালো খেলেও দিন শেষে আক্ষেপ বাংলাদেশের

0

ভালো খেলার পরও দিন শেষের আক্ষেপ বাংলাদেশের। ইনিংসের শুরু থেকে অসাধারণ খেলে যাওয়া মুশফিকুর রহিম মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরির দেখা পাননি। দিনের শুরু থেকে ভালো খেলা সত্ত্বেও শেষ বিকেলে মুশফিক এবং লিটন দাসের উইকেট হারিয়ে আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ দল।

সুরঙ্গা লাকমলের করা বলটিকে ঠেলে দিতে গিয়ে উইকেটকিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন মুশফিক। সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ দলের এউইকেটকিপার কাম ব্যাটসম্যানকে ৯২ রানে সজঘরে ফেরান লাকমল।

পাঁচে ব্যাটিংয়ে নামা লিটন দাস উইকেটে নামতে না নামতেই বোল্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। লাকমলের করা বলটিকে অফ স্টাম্পের বাইরের বল মনে করে ছেড়ে দেন লিটন। কিন্তু বলটি গিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। মাত্র ১ বল খেলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৭ম টেস্ট খেলতে নামা লিটন।

টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক সৌরভের সেঞ্চুরি (১৭৫), মুশফিক, তামিমের জোড়া ফিফটিতে ভর করে প্রথম দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৭৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ১৭৫ ও ৯ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন সৌরভ ও মাহমুদউল্লাহ।

বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। উদ্বোধনীতে দারুণ সূচনা করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমুরুল কায়েস। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ৭২ রান।

ক্যারিয়ারের ২৫তম ফিফটি তুলে বড় ইনিংসের আভাস দিচ্ছিলেন তামিম। তবে শেষ পর্যন্ত হার মানেন তিনি। দলীয় ৭২ রানে দিলরুয়ান পেরেরার অসাধারণ কুইকারে বোল্ড হয়ে ফেরেন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ৫৩ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫২ রান।

তামিমের বিদায়ের প্রভাব দলের ওপর পড়তে দেননি ইমরুল-মুমিনুল। দুজনই দ্রুত রান তুলছিলেন। তাদের ব্যাটে এগোচ্ছিল বাংলাদেশও। কিন্তু ভালো খেলতে খেলতে হঠাৎই খেই হারিয়ে ফেলেন ইমরুল। লাঞ্চের ঠিক একটু আগে হতাশ করে লক্ষণ সান্দাকানের এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন এ বাঁহাতি ওপেনার (৪০) ।

এরপর মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে দিনের শেষ পর্যন্ত লাড়াই চালিয়ে যান সৌরভ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ২৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তারা। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন! ক্যাপ্টেন্সি হারানোর পর প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা মুশফিকুর রহিম ১৯২ বলে ৯২ রান করে সুরঙ্গা লাকমলের বলে উইকেটকিপার নিরোশান ডিকাভেলার গ্লাভসে ধরা পড়েন! শেষ হয় ২৩৬  রানের রেকর্ড গড়া জুটি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে মাঠ ছাড়ার আগে ১৯২ বলে ১০ চারের সাহায্যে ৯২ রান করে ফেরেন মুশফিক। মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি দেখা পাননি তিনি। দিনের খেলা শেষ হওয়ার ৬.২ওভার আগে পরপর দুই বলে আউট হয়ে ফেরেন মুশফিক ও লিটন দাস।

উড়তে থাকা বাংলাদেশ শেষ বেলায় হঠাৎ বিপর্যয়ে পড়ে। বিপদ সামাল দিয়ে মুমিনুল হক (১৭৫*) আর অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ (৯*) নিরাপদেই বাকী সময় কাটিয়ে দেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.