Thursday, August 27

ভিড় নেই বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রে

0

কিকিউ মার্মা, বান্দরবান: ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই দূর-দূরান্ত থেকে সবুজের চাদরে ঢাকা প্রকৃতিকে দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন পর্যটকরা পাহাড়ী কণ্যা বান্দরবানে। পাহাড়ের উপর দিয়ে সারি সারি ভেসে বেড়ানো মেঘের দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন পর্যটকরা। নীলাচলে দাঁড়িয়ে মেঘের স্পর্শ আর শৈলপ্রপাতের মন কাড়ানো ঝর্ণার জলধারা যে কারো মনে দাগ কেটে যায়।

ঈদ এলেই মেঘলা, নীলাচল, বনপ্রপাত, স্বর্ণ মন্দির, রামজাদি, শৈলপ্রপাত, নীলগিরিসহ বিভিন্ন দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্রে হাজারও পযর্টকের ভিড় লেগে থাকে বান্দরবানে। তবে এবারের ঈদে তা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।
প্রতি বছরের তুলনায় এই বছর পর্যটকদের সংখ্যা অনেকটা কম। অন্যান্য বছরের এই সময় বান্দরবান শহরের হোটেল-মোটেল এবং পর্যটন স্পট গুলোতে ভিড় লেগে থাকে। ওই সময় এক ধরনের উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করে থাকে এই জেলাটি।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করিছিলাম এই ঈদের টানা ৯দিন সরকারি বন্ধ থাকায় এবার পর্যটকরা পাহাড়ী কণ্যা বান্দরবানে সমাগম হবে। কিন্তু তা একেবারেই ভিন্ন চিত্র। এতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা হতাশ।

এছাড়াও চাঁদের গাড়ি চালক মো: মালেক মিয়া ও মো. বাদশা বলেন, গত বছরের ঈদের ২দিন আগে থেকে পর্যটক ভিড় ছিল। কিন্তু সে পরিমাণ পর্যটকের দেখা মিলছে না। তবে ঈদের পরের দিন হয়তো ১৪-১৫ কিছু পর্যটক হতে পারে।

নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রে দায়িত্বের থাকা ম্যানেজার আদিত বড়ুয়া বলেন, ঈদের ১ম দিন ও ২য় দিন মিলে টিকেট বিক্রি হয়েছে ৬০০-১০০০ টি। যা অন্য বছরের তুলনায় একদম কম।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেছেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নেয়া আছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে সাদা পোশাকধারী পুলিশের সাথে সাথে টুরিস্ট পুলিশও যুক্ত করা হয়েছে। এখানে এসে পর্যটকরা যাতে কোন ধরণের হয়রানির শিকার না হয় সেই দিক সজাগ দৃষ্টি রাখছে পুলিশের সদস্যরা।

এদিকে, সারা দেশের বন্যা, ডেঙ্গু রোগ ও সাম্প্রতিক পাহাড়ের রক্তক্ষয়ী ঘটনার আর কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে পর্যটন ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মত দিচ্ছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িরা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.