ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় চার আরব দেশ সমর্থন জানিয়েছে। দেশ চারটি হচ্ছে- মিসর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্দান। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের অবস্থানকে অগ্রাহ্য করেই নেয়া হয়েছে এ পরিকল্পনা।
ইসরাইলের দৈনিক হ্যায়োম জানিয়েছে, ওই চার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও তার জামাতা জারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির দূত জেসন গ্রিনব্লাটকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কুশনার ও গ্রিনব্লাট মধ্যপ্রাচ্যে এক সপ্তাহের সফরে জর্দান, সৌদি আরব, কাতার ও ইসরাইলে গিয়েছিলেন।
মার্কিন ধনকুবের দম্পতি শেলডন ও মিরিয়াম আডেলসনের মালিকানাধীন পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, তারা যেসব কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করেছেন, তারা প্রেসিডেন্ট আব্বাসের প্রতি অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন। কারণ তিনি কুশনার ও গ্রিনব্লাটের সঙ্গে দেখা না করার সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন।
শেলডন ও মিরিয়াম ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সমর্থক।
জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির মার্কিন সিদ্ধান্তের পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।
ফিলিস্তিনিরা মার্কিন প্রশাসন ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বপূর্ণ আচরণ করছে অভিযোগ তুলে ইসরাইল-ফিলিস্তিনি শান্তি আলোচনায় ওয়াশিংটনকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে।
লেবাননে হামাস আন্দোলনের পলিট ব্যুরোর সদস্য ওসামা হামাদান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আরব দেশগুলোকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের শীর্ষ কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে নৈরাজ্য দেখা দেবে।