Thursday, August 20

মহেশখালীতে ৯৫ জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগরের আত্মসমর্পণ

0

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগরদের আত্মসমর্পণ শুরু হয়েছে। শনিবার(২৩ নভেম্বর)সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান চলছে।
আজকের আত্মসমর্পণে ১৩টি বাহিনীর ৯৫ জন জলদস্যু ও অস্ত্রকারিগর আত্মসমর্পণ করছেন। একইসঙ্গে দেড় শতাধিক বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই হাজারেরও বেশি গোলাবারুদ রয়েছে।

এই আত্মসমর্পণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত আছেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে মহেশখালীর কালারমারছড়ার আলোচিত জিয়া বাহিনীর প্রধান জিয়াউর রহমান জিয়া, তার বাহিনীর মানিক, আয়াতুল্লাহ, আবদুস শুকুর, সিরিপ মিয়া, একরাম ও বশিরসহ ১৫ জন, চেয়ারম্যান তারেক শরীফের অনুসারী হিসেবে পরিচিত কালা জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য আবুল, সোনা মিয়া, জমির উদ্দীনসহ প্রায় ১৫ জন, মহেশখালীর নুনাছড়ির মাহমুদুল্লাহ বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ আলীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বদাইয়াসহ ১৫ জন, ঝাপুয়ার সিরাজ বাহিনীর প্রধান সিরাজ-উদ-দৌলাহ, নলবিলার মুজিব বাহিনীর প্রধান মজিবুর রহমান প্রকাশ শেখ মুজিব এবং কুতুবদিয়ার লেমশিখালীর কালু বাহিনীর প্রধান কালু প্রকাশ গুরা কালুসহ তার বাহিনীর ১৫-২০ জন জলদস্যু রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর র‌্যাবের মাধ্যমে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় অনেক শীর্ষ দস্যু ও অস্ত্র কারিগর। যার কারণে বিভিন্ন পাহাড় ও সাগর উপকূলে অভিযান বৃদ্ধি করে পুলিশ। অভিযানের মুখে আবারও আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়ার দস্যু ও অস্ত্র কারিগররা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.