Sunday, September 20

মহেশপুরে বিভিন্ন স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার ফরর্ম পূরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

0

মোঃ জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বিভিন্ন স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার ফরর্ম পূরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরর্ম পূরণের নামে সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন স্কুল কর্তীপক্ষ। আর পরীক্ষার ফরর্ম পূরণের টাকা জোগার করতে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থী পরিবারকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আবার অনেক শিক্ষার্থী এতো টাকা এক সাথে জোগার করতে না পাড়ায় তার জীবন ঝড়ে যাচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফি সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পত্রে উলে­খিত সুয়্যেমোটো রুল নং-২৫/২০১৪ এর প্রেক্ষিতে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় যাহাতে কোন বিদ্যালয় কিংবা মহাবিদ্যালয় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর বেশি কোন অযুহাত আদায় করতে না পারে। এমনি চিঠি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হলেও তারা সরকারী নিয়ম নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার ফরর্ম পূরণের জন্য মানবিক বিভাগ ১৫০০টাকা, বিজ্ঞান বিভাগ ১৬২০ টাকা ও মাদ্রাসা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪০০ টাকা।

কিন্তু তার পরিবর্তে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২২০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরর্ম পূরণের নামে আদায় করছেন। নাম অপ্রকাশে একজন পরীক্ষার্থী বলেন, আমার বাবা নেই মাও মানুষিক প্রতিবন্ধি আমি সিটি গোল্ড তৈরির দোকানে কাজ করে আমার ফরর্ম পূরণের জন্য ২২০০ টাকা দিয়েছি। কিছু কম নিতে স্যারদের অনুরোধ করলে তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কম দেওয়া চলবে না।

এমনি অভিযোগ আরো অনেক পরীক্ষার্থীদের। জৈনিক অভিভাবক বলেন, আমার ছেলের ফরর্ম পূরণের জন্য ২২০০ টাকা দিতে হয়েছে। কিছু কম নিতে বললে তারা বলেন এই টাকা নির্ধারিত বোর্ড ফি কম দেওয়ার সুযোগ নাই। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে, তারা বলেন আমরা সরকার নির্ধারিত বোর্ড ফি নিচ্ছি। এর বাইরে অতিরিক্ত কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

মহেশপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমজাদ হোসেন জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠিতে নির্ধারিত বোর্ড ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোন সুযোগ নাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। যদি কোন প্রতিষ্ঠান তা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.