ম্যাচের লাগাম টেনে ধরেছে টাইগাররা। যে ম্যাক্সওয়েলকে ১০ রানে জীবন দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তাকেই ৩৮ রানে মুশফিকের গ্লাভসবন্দী করলেন তিনি। এরপর অজি পেসার প্যাট কমিন্স (৪) মিরাজের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন। এই রিপোর্ট লেখা প্রর্যন্ত অজিদের রান ৮ উইকেটে ৩৬৬। বাংলাদেশের চেয়ে ৬১ রানে এগিয়ে আছে অজিরা।
বাংলাদেশ শিবিরে দিনের প্রথম সাফল্য আসে হ্যান্ডসকম্বের রানআউটে। সাকিব আল হাসানের বুদ্ধিদীপ্ত থ্রোতে ৮২ রান করে আউট হয়ে যান হ্যান্ডসকম্ব। তার বিদায়ের পর কিছুটা ভয় পেয়ে যান ওয়ার্নার। ৯৯ রানে বেশ কিছুক্ষণ ব্যাট করেন তিনি। অবশেষে নাসিরকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে টানা দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকান দুইবার জীবন পাওয়া ওয়ার্নার। তাকে আউট করে জন্মদিনে দলকে সেরা উপহার দেন ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান।
দুটি সহজ ক্যাচ ছেড়েছেন মেহেদী মিরাজ। প্রথমে মুস্তাফিজের বলে ম্যাক্সওয়েলের ক্যাচ এবং পরে হিল্টন কার্টরাইটের ক্যাচ ফেললেন নিজের বলেই। অবশেষে কার্টরাইটকে (১৮) ফিরিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করলেন মিরাজ। স্লিপে দারুণ ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। এরপর অজি উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ম্যাথু ওয়েডকে (৮) এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে তৃতীয় শিকার ধরেন কাটার মাস্টার।
আজ বুধবার তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন ভেসে যায় বৃষ্টিতে। টানা দেড় ঘণ্টার প্রবল বৃষ্টির পর বেলা সোয়া ১টায় তৃতীয় দিনের খেলা মাঠে গড়ায়। জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা দেশের সবগুলো স্টেডিয়ামের মধ্যে সেরা। তাই বৃষ্টি থামার আধ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পরই মাঠ খেলার উপযোগী হয়।