মীরসরাই প্রতিনিধি: মীরসরাই ১৫নং ইউনিয়ন এর ৪নং ওয়ার্ডে যুবলীগ নেতা জনাব নুর উদ্দিন বাবলু (৪০) এর বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা
করেছেন। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৯.০০ ঘটিকার সময় একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছেন। খবর নিয়ে
জানা যায় ১৫নং ইউনিয়ন এর ৪নং ওয়ার্ডে যুবলীগ নেতা নুর উদ্দিন বাবলু তারাবীর নামায পড়ে ঘরে এসে রাতের খাওয়া
খাইতেছিল। এমন সময় একদল সন্ত্রাসী এসে বাড়ীর পাশে থাকা টিনের বেড়া কেটে অতর্কীত ভাবে ঘরে ঢুকে পড়ে এবং
তার ঘরে হামলা চালিয়ে ৩ ভরি ওজনের ̄স্বর্ণ ও ঘরে থাকা নগদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা নিয়ে যায়।
এই সময় সন্ত্রাসী দলের সাথে দস্তা-দস্তী করে তাহার স্ত্রী মোছাঃ তানিয়া আক্তার গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে স্থানীয় উপজেলা স্থানীয় কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জনাব মোঃ নুর উদ্দিন ন্যাশনাল নিউজকে জানান আমি তারাবীর নামায পড়ে ঘরে এসে খানা খাওয়ার সময় ১০-১৫জনের একটি সন্ত্রাসী দল আমার বাড়ীর টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দস্তা-দস্তী করে আমার স্ত্রীরীর আলমারীতে থাকা ৩ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা নিয়ে যায়। আমার ̄স্ত্রীরীর কাছে আলমারির চাবি চাইলে তিনি দিতে অপরগতা প্রকাশ করায় তাকে রাম দায়ের মুখে জিম্মি করে। আলমারির চাবি নিয়ে স্বর্ণ সহ টাকা-পয়সা নিয়ে যায়।
এই সময় ডাকাতদের দস্তা-দস্তীতে আমার র হাতে বিভিন্নভাবে জখম করে এবং আমার টি শার্ট ছিড়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ̄ স্বর্ণলংকার টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এই সময় আমাদের আত্ম- চিৎকারে আশেপাশের লোকজন বেরিয়ে আসলেসন্ত্রাসী দল ঘটনাস্থল ত্যাগ করে । এই বিষয়ে কোন মামলা করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন মামলার প্রতিক্রিয়া চলছে। যেহেতু, সন্ত্রাসী গুলো চিহ্নিত সন্ত্রাসী সেজন্য মামলার প্রতিক্রিয়া চলছে।
এই বিষয়ে এলাকার এক প্রত্যক্ষ দোষী মোঃ শাহজাহান (৫০) জানান আমরা আত্ম-চিৎকার শুনে এসে দেখি তার ̄স্ত্রী মাটিতে পড়ে আছে এবং বাবলুর গায়ের জামা-কাপড় ছেড়া দেখলাম।
এলাকার আর এক প্রত্যক্ষ দোষী মোঃ হোসেন (২৪) পিতা-সামছুল আলম তিনি জানান আমরা ও আত্ম-চিৎকারে দৌড়ে এসে দেখি তখন সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আর এক জন পাশ্ববর্তী বাড়ীর মহিলা মোছাঃ নাজমা বেগম (৩২) তিনিও জানান আমরা তারাবীর নামায পড়ে যখন খাওয়া খাইতেছিলাম তখন বাবলুর শৌরচিৎকারে আমরা দৌড়ে এসে দেখি বাবলুর জামা-কাপড় ছেড়া ও বাইরে টিনের বেড়া কাটা এবং তার ̄স্ত্রী মাটিতে পড়ে আছে । বাবলুর চিৎকারে আশে-পাশের এলাকার লোক-জন আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।