তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যেগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে, সেগুলো সহসাই পেয়ে যাবে। যেগুলো নিয়ে সন্দেহ রয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে একটু সময় লাগবে। তবে রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে এই সেকশনে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি সম্মেলনে নিউ মিডিয়া এবং এর চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বাংলাদেশে নয়, সব দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমরা এগিয়ে যাবো।
অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার বিষয় সেখানে আলোচিত হয়েছে। ‘আমরা ইতিমধ্যে সব অনলাইনকে নিবন্ধনের আওতায় আনার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছি। আজ দরখাস্ত করার শেষ দিন। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে আট হাজারের বেশি দরখাস্ত জমা পড়েছে।’
তিনি বলেন, আট হাজার অনলাইন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু যৌক্তিক সেই প্রসঙ্গটুকু অবশ্যই আসে। আমরা এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো আসলে প্রয়োজন আছে, যেগুলো অনলাইন হিসেবে সত্যিকার অর্থে কাজ করতে পারবে বা করার সক্ষমতা রাখে বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে দরখাস্ত করা হয়নি সেগুলোকে আমরা নিবন্ধনের আওতায় আনব।
অনলাইন নিবন্ধনের আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কতদিন লাগবে- জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, আট হাজার তো, যাচাই-বাছাই করতে একটু সময় লাগবে। যতদ্রুত সম্ভব, যেগুলো সত্যিকার অর্থে অনলাইন হিসেবে কাজ করে তাদের সহসাই এ নিবন্ধনের আওতায় আনব।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বস্তরের মানুষের ডিজিটাল সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে আইসিটি অ্যাক্ট করা হয়েছে। এর যেন অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে সরকারের সদয় দৃষ্টি রয়েছে এবং এ বিষয়ে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।