রংপুর প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বসহ বাংলাদেশ যখন নড়েবড়ে অবস্থা, পুরো বিশ্ব লকডাউনের মধ্যে রয়েছে শুধু মানুষকে সচেতন করার জন্য যে, ঘন-ঘন সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, মার্ক্স ব্যবহার করতে হবে, অপ্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না ইত্যাদি। প্রশাসন চেষ্টা করে যাচ্ছে কিন্তু মানুষ কতটুকু সচেতন হচ্ছে।
বুধবার তাজহাট থানাধীন ২৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত লালবাগের হাট। সপ্তাহে দুইদিন লালবাগের হাট থাকায় ও রংপুরের উল্ল্যেখযোগ্য হাটের মধ্যে লালবাগ হাট বড় হওয়ায় বেশ ভাবে হাট চলছে, কিছু স্থানে ভির দেখা দিলেও, চোখে পড়ার মত ছিলো গরু-ছাগলের হাটে। গরুর পরিমান কম হলেও ছাগলের পরিমান ছিলো চোখে পড়ার মতো। সরেজমিনে দেখা গেছে গরু-ছাগল যাই উঠুক না কেনো মানুষ ছিলো চোখে পড়ার মতো। ছিল না কোন সামাজিক দুরুত্বতা, ছিলোনা চোখে পড়ার মত কোন সচেতনতা।
বাংলাদেশ সরকার বা প্রশাসন পরিশ্রম করছেন মানুষকে সচেতন করছে, কিন্তু মানুষ যদি সচেতন না হয় তবে কি আর হবে। এরকমটি বলছিলেন লালবাগ এলাকাবাসী আবু তালেব মিয়া। লালবাগ হাটের ইজারাদার অফিসে গিয়ে দেখা হয় ইজারাদার দুলু মিয়া ও অফিস সহকারি মাহমুদ হাসান রওনক, তারা জানান অনেক ইজ্জতদার লোকেরা না খেয়ে আছে তাদের কি হবে। মানুষ পেটের দায়ে আজ ঘোরা-ফেরা করছে, হাটে লোকজন এসেছে পেটের তাগিদে, সরকার যদি ঘরে-ঘরে খাদ্য পৌছে দিত তবে আজ সকলে ঘরের মধ্যে থাকতো, গরু-ছাগল লালবাগ হাটে সিমিত আকারে উঠেছে। তবে লোক পরিমানে বেশি দেখা যাচ্ছে আমরা কিছুক্ষন পরপর হ্যান্ডমাইকের মাধ্যমে তাদের নিরাপদ দুরুত্ব বজায় রাখার জন্য সচেতন করছি।
এছাড়াও আমরা লালবাগ হাটে করোনা উপলক্ষে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মার্ক্স, এবং লালবাগ বাজারে ০৭ টি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।
এ ব্যপারে তাজহাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ রোকনুজ্জামান বলেন, আমি নিজে সকালে লালবাগ হাটে গিয়ে সচেতনতা মূলক প্রচার করেছি এবং সকলকে সামাজিক দুরুত্বতা বজায় রাখতে বাধ্য করেছি। মানুষ সচেতন না হলে কি শক্তি প্রয়োগ করে সচেতন করানো সম্ভব। আমি আসার পর হয়তো আবারো সামাজিক দুরুত্বতা নষ্ট হয়ে গেছে। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে।