নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের অঘোষিত ধর্মঘটে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে পুরো দেশ। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহন নেই বললেই চলে। এছাড়াও চলছে অঞ্চলভিত্তিক ধর্মঘট। হঠাৎ গণপরিবহনের সংকটের ফলে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। কার্যকর হওয়া নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে শ্রমিকরা বাস চালাতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়ে বাস বন্ধ রেখেছেন অনেক মালিক। এছাড়া অন্য কেউ নামালেও সেগুলো চলতেও বাধা দিচ্ছেন শ্রমিকরা।
গত কয়েকদিনের তুলনায় সড়কে আজ গণপরিবহনের সংখ্যা কম দেখা গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরজমিনে দেখা যায়, বাসের অপেক্ষায় যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ।
শুধু গণপরিবহন নয়, সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংখ্যাও তুলনামূলক কম চলছে। আর যে দু’একটি চলছে তারা ভাড়া হাকাচ্ছেন লাগামহীন। ফলে অনেকে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেন।
এদিকে রাস্তায় গণপরিবহনের সংকট থাকায় উবার, পাঠাওসহ বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের রাইডারদের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ মোটরসাইকেল রাইডার অ্যাপস ছাড়াই যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে দেনদরবার করছেন। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়াও গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের।