দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে । আজ শনিবার ভোর ৬টায় রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে, শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে রাজশাহী অঞ্চলে। বৃহস্পতিবার থেকে চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি আরও ঘনীভূত হয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। ফলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় দুর্ভোগে পড়েছেন এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ। সকালে সূর্য উঠলেও শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা রয়েছে। বিশেষ করে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। তীব্র শীত থেকে রক্ষা পেতে সকালে পথের ধারে খড়-কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা অসহায়দের। শীতের মধ্যে শত কষ্ট হলেও পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেন কাজের সন্ধানে। এই তীব্র শীতে কষ্ট পেতে হচ্ছে শিশু-বৃদ্ধসহ সব বয়সের মানুষদের।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজশাহীতে সপ্তাহ জুড়েই তাপমাত্রা কমছে।
সকালে সূর্য উঠলেও শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা রয়েছে। শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। বিশেষ করে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। তীব্র শীত থেকে রক্ষা পেতে সকালে পথের ধারে খড়-কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা অসহায়দের।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার অবধি শীতের তীব্রতা কমবে না। তাপমাত্রা ক্রমশ হ্রাস পাবে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলিসিয়াস নেমে যাবে। এ মাসেই তিনটি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা আছে। জানুয়ারিতে দেশের উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে একটি মাঝারি (৬ ডিগ্রি-৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস), একটি তীব্র (৪ ডিগ্রি-৬ ডিগ্রি সে.) ধরনের শৈত্য প্রবাহ, অন্যত্র দুই থেকে তিনটি মৃদু (৮ ডিগ্রি ১০ ডিগ্রি সে.) বা মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।