মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নের ৭নং সেক্টরের সাব সেক্টর ৯, মুজাহিদ কমান্ডার গাজিপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মশিউর রহমান (মশি হাজ্বী) সোমবার মৃত্যুবরণ করেন। মঙ্গলবার সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজ্বী মশিউর রহমানকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন যশোরের ১,শার্শা আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন,শার্শা উপজেলা নির্বাহি অফিসার কুমার মন্ডল কুমার মন্ডল, বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মামুন খান ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু ,ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান,শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান,বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন,শার্শা উপজেলা কমান্ডার মোঃ মোজাফফর হোসেন, বেনাপোল -পুটখালী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ আলম হাওলাদার, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক মুকুল সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন মরহুমের ভাই গাজীপুর গ্রামের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, মরহুম মশিউর রহমানের একমাত্র জামাই সাইদুর রহমান বকুল, ফারুক হোসেন উজ্জল সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড যশোরসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও উপজেলা পুলিশের চৌকস সদস্যবৃন্দ। বেনাপোল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে অনুষ্ঠিত এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রথমে বীর মুক্তিযোদ্ধার লাশ জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর পুলিশের চৌকস দল শার্শা উপজেলা নির্বাহি অফিসার কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। গার্ড অব অনার শেষে জানাযা নামাজ পড়িয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বেনাপোল গাজীপুর পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
উল্লেখ্য শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেতু সেন্টার (সিএন্ডএফ এজেন্ট) স্বত্বাধিকারী বেনাপোল সিএন্ডএফ
এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি,মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা হাজ্বী মশিউর রহমান(মশিহাজ্বী)
সোমবার সকাল ৭:৪৫ মিনিটে ঢাকা এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন ৷ বেনাপোল বাসির কাছে তিনি সাদা মনের মানুষ নামে পরিচিত ছিলেন ৷ জীবদ্দশায় তিনি অনেক জনহিতকর কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়ে, জামাই,নাতি-নাতনি ,
ভাতিজা -ভাতিজী ,ভাইসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান৷