নগরীতে হালিশহর আনন্দবাজার রেলওয়ে কোয়াটারে পাশেই রেলের জায়গা দখল করে অবৈধ ভাবে ঘর তৈরি মহোৎসব।
চট্রগ্রামে রেলের অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ চলমান থাকা অবস্থায় বন্দর থানাধী আনন্দবাজার বরাদ্দকৃত রেলওয়ে গ্র্যান্ড কোয়াটারে পাশেই রেলের জায়গা দখল করেই তৈরি হচ্ছে ঘর। সরজমিনে দেখা যায় সতীস দের ছেলে নির্মল দে ও তার গংরা রেলের কোয়াটারে সামনে সাইডে – উওর সাইডে সরকারি জায়গায় দখলের মহোৎসব অন্যদিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ।
রেলওয়ের অবৈধভাবে দখলকৃত সকল জমি উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
গত(২৩ অক্টোবর) । রেলমন্ত্রী বলেন, “রেলওয়ের সম্পত্তি দখল করে রাখার অধিকার কারো নেই। রেল কর্তৃপক্ষ তাদের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের জন্য সকল জমি অবৈধ দখলমুক্ত করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসবে। তবে স্থানীয় প্রভাব বা রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তুলে আর্থিক লাভবান হবে, সেটা করতে দেওয়া হবে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রেলের জায়গা দখল করে বাড়ী তৈরি করার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্মল দে ভাই সুনিল দে বলেন, আমরা রেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছি এই জায়গা আমাদের তাই দখল করে ঘর করছি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জি এম নাসির উদ্দিনকে বার বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওযা যাইনি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ইশরাত রেজা বলেন, ‘রেলের জায়গা সরকারি সম্পত্তি।ইতিমধ্যে রেলওয়ের বেশ কয়েকটা স্থানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বন্দর এলাকায় রেলের অবৈধ স্থাপনা ও যত্রতত্র —এ মাসেই মধ্যে জায়গা উদ্ধারের অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ডি ই ও কাছে যোগাযোগ করলে এব্যাপারে জানান তিনি রেলের এলেটমেন্ট কোয়াটারে বাহিরে যে স্হাপনা হচ্ছে সবগোল অবৈধ আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে কেউ পার পাবেনা।